Sdfghjkl

 

শুভ সন্ধ্যা


ছড়িয়ে আছে অনেক ঝরাপাতা

বুকে নিয়ে নানা সুখ কথা

কিংবা দুঃখ বার্তা

ভালোবাসা গেয়ে ওঠা দু'কলি গান

অথবা প্রেমের ছটায় উচ্ছ্বসিত

উল্লাসিত হাসি্র কম্পন

এই নিয়ে শান্ত স্থির সন্ধ্যার

ঝরাপাতা চত্ত্বর।

ঝরাপাতার চত্ত্বরে

আমাদের কথার মেলার মাঝে

ঝরে পড়ল একটি পাতা

যেন কোন গোপন কিছু শুনে ফেলেছে।

সন্ধ্যার নরম আলো, হালকা বাতাস আর

শেষ শীতের পরশ

এরই মাঝে দুজনের চোখাচোখি

ফুটপাতের বাতিগুলোর হলুদ আলো

কিছুটা হলদে করে দেয় চত্ত্বরকে

হলুদ দুটি হাত একে অন্যকে স্পর্শ করে

মমতায়, ভালোবাসায়, বিশ্বাসে।

তাই দেখে পাতায়-পাতায়

ঝরাপাতায়-মাটিতে কানাকানি পড়ে যায়

বাতাস যেন কানের পাশে বলতে থাকে

ভালোবাসি ভালোবাসি

এই সন্ধ্যায় ঝরাপাতার চত্ত্বরেও

তোমায় ভালোবাসি।

 

premer golpo. premer kobita, valobasar golpo, valobasar kobita

তোমায় শুনাতে পারিনি বলে

কবিতা গুলো ছন্ন হারিয়েছে আজ

তোমায় দেখতে পারিনি বলে

প্রকৃতি সেজেছে রঙহীন নীরব সাজ।

তোমার কন্ঠ ভাসেনি বলে

পাখিরা করেনি কোলাহল

তুমি স্নান করতে যাওনি বলে

নদীতে ছিলনা এক ফোঁটাও জল।

তোমায় দেখার জন্য পাড়ার দুষ্টু ছেলেটা

দাড়িয়ে ছিল অনেকক্ষন

তোমার একাকিত্বতা অনুভব করে

বিষন্ন ছিল আজ মন।

তুমি আসোনি বলে

ঘড়ির কাটা আজ কেন যেন ঘুরছেনা

তুমি হাঁসনি বলে

গোলাপ গুলো আজ ফুঁটছেনা।

তোমায় বিহনে নির্মলেন্দু গুন

লিখছেন না আর কোন কবিতা

তুমি খেলা দেখতে যাওনি বলে

সচিন খুলেনি রানের খাতা।

তোমায় ছাড়া গীটারে আজ

বাঁধছেনা কোন সূর

তুমি বের হওনি বলে

হলুদ পাঞ্জাবী পড়া হিমু, হাটবেনা বহুদূর।

তুমি তাকাওনি বলে

সন্ধ্যা তারা উঠেনি আজ আকাশে

তুমি গাওনি বলে গাছের পাতাগুলো

নাচছেনা আর বাতাসে।

তুমি আসনি বলে ক্লাশের ফার্সট বয়টা

মনোযোগ দিতে পারছেনা পড়ায়

তুমি ঘুমাওনি বলে আজ

রাত্রি নামেনি ধরায়।

তোমার জনয়্‌ই সৃষ্টি কর্তা

সুন্দর করে সাজিয়েছে এই ভুমি

তোমার জন্য এই কবিতা লেখা

শুধু তোমার জন্যই অমি।


 


স্বপ্ন নীড়ে অনেক কথা
আজ ভিঁজে আছে লোচন জলে,
রং তুলিতে মিঁশে গিয়ে
আজ ছবি আঁকছে মরুভূমিতে ।
ধোঁয়া ধোঁয়া ধূলা উড়ে যায়
জীবন স্বপ্নের বেদনা গায়ে,
অনেক স্মৃতির অনেক বাসনা
বারেবারে মনে করিয়ে দেয়
শ্রাবণ- স্মৃতির- সন্ধ্যা-
তাঁরাতে ।
শত শত অজুহাতে
হানা দেয় মন দুয়ারে,
আরাধ্যের অবশেষে
ক্ষণিক কিছু ছুঁয়ে আসে ।
লক্ষ্যে পাবার অদূর প্রিয়াস
শেষ হয়না কিছুতেই
বাঁধন হারা মিষ্টি অনুরাগের
অনিঃশেষ ভালোবাসা ।


সাদা কাগজে মলিনতার ছাপ নিয়ে

এখন আর তেমন লেখা হয় না,

কিঞ্চিত কিঞ্চিত অনুভবগুলো

এখন আর হৃদয়ের কোঠায় এসে

হানা দেয় না ।

শেষ সেই কথাগুলো

আজো যেন কানে বাঁধে,

মনে হয় তুমি আসবে,

হয়’তো নতুন করে আমায় ভাবাবে ।

তাই’তো রংতুলির ছাপ নয়

মনের ক্যাম্পাসে বারবার তোমার আসার অপেক্ষায়

সাদা দেওয়ালে আঁচড় কাটছি, আর ভাবছি-

তুমি আসবে তো ?

 


sundori meyeder photo

তুমি যখন প্রশ্ন করো

আমি কি তোমায় ভালোবাসি?

অন্ধকারে লুকিয়ে মুখ

আমি নিজের মনেই হাসি ।

উত্তরে কি বলবো বলো

বিশ্বকোষেও হয়তো নাই,

উথালপাথাল খুঁজে মরি

কোথায় যোগ্য শব্দ পাই ।

জানো কি এই প্রশ্নে তোমার

হঠাত্ থামে নদীর ধারা

আকাশখানি কালো করে

মেঘে ঢাকা সন্ধ্যাতারা ।

তার চেয়েও গভীর ঘন

লজ্জা ঢাকে আমার মুখ

পাইনে খুঁজে একটি কথাও

শঙ্কা ভয়ে কাঁপে বুক ।

এতোদিনেও বোঝেনি যে

আজ বোঝাবো কোন ভরসায়?

না বলা সেই ছোট্টো কথা

বলিনি কি কোনো ভাষায়?

বলিনি কি এই কথাটি

তোমার দিকে নীরব চেয়ে,

এই গান কি সারাজীবন

জীবন দিয়ে যাইনি গেয়ে?

সেই কথা তো জানে ভালো

শিশির ভেজা ভোরের ফুল

তুমি যখন প্রশ্ন করো

আমি করি অধিক ভুল; ।

 


 


→আমার দিনগুলো চলছে

এক মায়াময় স্বপ্নের মাঝ দিয়ে,

→ আমার পথগুলো চলছে

আকাশ ছোঁয়া দিগন্তের দিকে চেয়ে,

→আমার শূন্য মন ছুটে চলছে

বাঁধাহীন আপন গতিতে,

→আমার সকল ব্যস্ততা ছুটে চলছে

কঠোর সাধনার তাড়নাতে,

→আমার সুখগুলো চলছে

একান্ত মনের গহীন দিয়ে,

  আমার দুঃখগুলো চলছে

শ্রাবণ স্মৃতির পাতায় ভরে,

→ আমার ভাবনাগুলো চলছে

অজানা পথের বাহুধরে,

→আমার সবকিছু বয়ে চলছে

জীবনের আবেগ ভরা

মনের  বাঁশির সুর ধরে


ঝড় তোলা এই বুকের মাঝে

আজো তোমায় মনে পড়ে,

স্মৃতির চরণে অনেক কথায়

আজো তোমায় ভাল লাগে ।

হারিয়ে যাওয়া দিনের মাঝে

আজো মনের পাতায়

তোমায় নিয়ে কিশোর প্রেমের ছবি আঁকি ।

মনে পড়া দিনের সজ্জায়

তোমায় দেখেছিলাম প্রথমবার

ভাল লেগেছিল অনেক- হারিয়ে গিয়েছিল মন আমার;

খুঁজেছে মন বারেবারে

তোমায় কিছু বলবো বলে,

তবুও পারিনি বলতে- অনুভবের কিশোর ছোঁয়ায়

তোমায় আমিবাসি ভাল ।

অবসন্নতায় দিন গুনেছি

কিশোর মনের প্রেম দুমড়ে মরীচিকা হয়েছে,

দূর আকাশে চেয়ে থেকেছি,

পাশে আসার মন চেয়েছে,

তবুওপারিনিবলতে-

তোমায়আমিবাসিভাল।

প্রথম ব্যার্থতার, প্রথম প্রেম

সাহসের যাতনা চিঁরে, লজ্জার মুখ ফিরিয়ে

তোমার প্রেমে আসতে পারিনি

কৌশলতার কিশোর জীবনে ।

 



ভেঁজা ভেঁজা রঙে

আজও মন শুধু তোমায় খুঁজে

দূর হতে দূরে

প্রান্তহারা সুদূরে ।

ভাবনার তীর ঘেঁষে

স্বপ্নের জাল বিছিয়ে

উদাস হাওয়ায় নীল গগণে

নির্মনে তোমায় খুঁজে ।

ঝর ঝর ঝরনার তালে

পাহারের নির্যাস ঝরে পড়ে

উত্তাল ডেউয়ে সাগর বক্ষে

জীবন দুয়ারে ফিরে পাবার ছলে

ভালবাসার টানে তোমায় খুঁজে ।

 



আমি তোমারই জন্য

হৃদয়ের আকাশ থেকে

মিটিমিটি তারা নিয়ে আসবো,

তুমি দাঁড়িয়ে থেকো;

ও’গো তোমারই জন্য আমি আসবো ।

সপ্ত সুখের নিসর্গতারই

মধুর সঙ্গ তোমারই জন্য

আমি বয়ে বয়ে আনবো,

নীলাম্বরী ঝরনা বেগে

বৃষ্টি হয়ে আমি ঝরবো

তুমি স্নান করো-

ও’গো তোমারই জন্য আমি ঝরবো ।

ভালোবাসার গৌধূলি প্রভায়

তোমার চোখে ছবি হয়ে ভাঁসবো,

তুমি জাগরণে আমায় ভেবো

আমি তোমারই জন্য

রংধনু নিয়ে আসবো ।

 


একাকী পথচলা

চিন্তা করেও ভেবে পাইনা কি লিখবো-
মনের মধ্যে পাই না কোন আশার আলো!
একা একা হাঁটি আমাই দিনভর বারান্দায়,
পৌঁছাতে পারলাম না জীবনের কিনারায়!
যন্ত্রে রুপান্তরিত হচ্ছে আমাদের এই জীবন,
যন্ত্রের মধ্যেই বাঁচা আর যন্ত্রের মধ্যেই মরণ!
মাঝে মাঝে ভুলে যাই আমার নিজের অস্তিত্ব,
খালি কামরায় যখন গুমরে মরে সব আমিত্ব!
যন্ত্রমানব হয়ে গিয়েছি! উপায় নেই ফেরার!
জীবন প্রত্যাশী? কিন্তু কিই বা আছে পাবার?
কখন মনে হয় আমি ফিরে আসবনা আবার-
ভাবি আমি পথ কি খোলা আছে চলে যাবার?
কন্টকময় স্বর্গে আমি নিজেকে করলাম আবিস্কার,
একাকী পথচলায় এটাই আমার প্রাপ্য পুরস্কার!

 


 


হৃদয়ের অনেক কথা রয়ে যায় বাকি

ভাবনার যত চাওয়া রয়ে যায় ফাঁকা ,

তবু মনে হয় আঁকা একটি প্রেমের নাম

তোমায় আমি ভালবাসি ।

বুকের পাঁজরের অস্তিতে

বয়ে চলে যেমনি রক্ত কণিকা ,

তেমনি মনাকাশে ছুঁয়ে চলে বারেবারে ;

তোমায় আমি ভালবাসি ।

অন্তরের গভীর সীমান্তে

যে নদী বয়ে চলে নিরবধি জলের স্রোতধারায় ,

তেমনি বয়ে চলে একটি ছল ছল সুরের গান

তোমায় আমি ভালবাসি ।

যতই হোক না আশা, বাসনার নিরন্তর সাধনায় ,

তবুও মন তাই বলে , একটি কথার নাম

তোমায় আমি ভবালবাসি ।

তোমায় আমি ভালবাসি


তোমায় ভালবাসি বলে

আজো হৃদয় কাঁদে,

অঝরে বৃষ্টি ঝরে

এই নিশ্চুপ দু’চোখের কোণে ।

তোমায় ভালবাসি বলে

আজো হয়’তো স্বপ্ন দেখি

নতুন দিনের সম্ভাষণে,

তুমি আসবে বলে

ভেবে ভেবে বসে থাকি আজো

তোমারই অপেক্ষাতে ।

তোমায় ভালবাসি বলে

এখনো তোমায় নিয়ে

সুখের তরী ভাসাই

অজানা গন্তব্যে;

তুমি চলবে বলে

হয়’তো আজো দাঁড়িয়ে থাকি

শূন্য পথের বাঁকে

 


 

premer kobita

সারাদিন তোমায় ভেবে

হলো না আমার কোন কাজ

হলো না তোমাকে পাওয়া

দিন যে বৃথাই গেল আজ

সারাদিন গাছের ছায়ায়

উদাসী দুপুর কেটেছে

যা শুনে ভেবেছি এসেছো

সে শুধু পাতারই আওয়াজ

হাওয়া রা হঠাৎ এসে জানালো

তুমি তো আমার কাছে আসবে না

এক হৃদয় হয়ে ভাসবে না

তবে কি একাই থাকবো

তবে কি আমার কেউ নেই

সারাদিন যেমন কেটেছে

তেমনি যাবে গো সাঁঝ

সারাদিন তোমায় ভেবে

হলো না আমার কোন কাজ

হলো না তোমাকে পাওয়া

দিন যে বৃথাই গেল আজ


 


সন্ধ্যার আকাশে শেষ ক্ষণে

নন্দীবাবু আসিতেছিল নদীর ওপার হতে

পাল তৌলা নাওয়ে চড়ে;

এমন সময় ধান খেতের আড়াল দিয়ে

কিছু লোক যেতেছিলু কাঁধে করে পালকি নিয়ে ।

নন্দী তা দেখিয়া মাঝিকে কহিল

নাওখানি সামনে ভিড়াও দেহি;

সহসা-নন্দী চিৎকার করিয়া কহিল

ওহে, কাকাবাবু পালকিতে চড়াইয়া

কোন দিদিকে নিয়ে যাচ্ছ কোন বা ই গাঁয়ে ?

কাকাবাবু কহিলেন-

তোর দিদিকে নিয়ে যাচ্ছি ওই দু’গাঁয়ের পরের গাঁয়ে ।

নন্দী উত্তর শুনিয়া

নাওয়ে বসিয়া থাকিল চুপ করিয়া ।

মাঝি নাওখানি ঘাটে ভিড়াইল

নন্দী নামিয়া হাঁটা শুরু করিল তাহার বাড়ির দিকে ।

এমন সময় বন্ধু সুশীল বসেছিলু ছায়াতটের নিচে,

নন্দী দেখিয়া তাহার সামনে গেল হাঁটিয়া,

কহিলেন; কীরে সুশীল-

তোর বিয়েটা হচ্ছে কবে? কোন গাঁয়ে ?

সুশীল মুখটি আলতো ফুলিয়ে কহিল;

ঠাকু মা কহিছে বয়স হইলে দিবে নাকি আমার বিয়ে ।

নন্দী চলিয়া গেল বাড়িতে

ঘরেতে ঢুকিয়া নন্দী গেল চমকাইয়া

মা তাঁহার কহিলেন- লাল টুকটুকে বউটা

তোর দাদা এনেছে বিয়ে করিয়া ।

মা তাঁহার হাঁসিতে হাঁসিতে কহিলেন

এবার নন্দীবাবুর বিয়ে দিব দুমধামে

সারা গাঁয়ের লোকজনকে জানাইয়া ।

নন্দী কহিল- না’ গো মা

বয়স আমার হয়ে নেক

তাঁরই পর করিব আমি ইয়ে !!



মন যে আজ মেখেছে

প্রেমেরই কাঁদা জলেতে,

আমায় করেছে পাগল অশান্ত দিগন্তে

প্রেমেরই জন্য ।

মাটি তার ধূলায় ধূলায়

সব মিশায়ে যায় গোলায় গোলায়,

পুষ্প সেই ধুলার মাঝে

ফুটে উঠে রঙ্গিন সাজে ;

ছড়ায় তার আনন্দের বাহার

প্রেমেরই উল্লাসে ।

আলো তার খেলায় খেলায়

সাজিয়ে দেয় সারাবেলায়,

সেই সাজেতে আকাশ পানে

সেজে উঠে রংধনু হয়ে ;

আপন মাঝে ছড়ায় সে যে

প্রেমেরই আমন্ত্রণে ।

নদীর জলে কূলে কূলে

হারায়ে যায় সকল বানে,

সেই বানেতে সব তরীতে

ভেসে উঠে শান্ত প্লাবনে

প্রেমেরই উচ্ছ্বাসে ।

আনন্দে আনন্দে পাড়ি হয়

সেই মধুময় ক্ষণটা,

গন্ধে গন্ধে প্লাবিত

সেই হৃদয় মনটা,

সারা মায়ার মাঝখানেতে আসে

এ যে প্রেমেরই জন্য ।

 




                                                                    ফুলেরা জানতো যদি 

--------– হুমায়ুন আজাদ

মুলঃ হেনরিক হাইনে

ফুলেরা জানতো যদি আমার হৃদয়

ক্ষতবিক্ষত কতোখানি,

অঝোরে ঝরতো তাদের চোখের জল

আমার কষ্ট আপন কষ্ট মানি ।

নাইটিংগেল আর শ্যামারা জানতো যদি

আমার কষ্ট কতোখানি-কতোদুর,

তাহলে তাদের গলায় উঠতো বেজে

আরো ব হু বেশী আনন্দদায়ক সুর ।

সোনালী তারারা দেখতো কখনো যদি

আমার কষ্টের অশ্রুজলের দাগ,

তাহলে তাদের স্থান থেকে নেমে এসে

জানাতো আমাকে সান্ত্বনা ও অনুরাগ ।

তবে তারা কেউ বুঝতে পারেনা তা-

একজন,শুধু একজন,জানে আমার কষ্ট কতো;

আমার হৃদয় ছিনিয়ে নিয়েছে যে

ভাংগার জন্য-বারবার অবিরত ।

 


 


আমার বাগানে ফুঁটেনি কোন ফুল

ফুঁটেছিল শুধু একটি গোলাপ ফুল,

যে ফুলের সৌন্দর্যে সারাবেলা

আমার মন পোড়াত আনমনাতে;

শুধু একটি গোলাপ ফুলের গন্ধেতে ।

সারা নিশি করত মগ্ন

উদাস প্রেমের প্রভাতের শুভেচ্ছাতে ।

আমার মনের আকাশ কোণে

প্রজাপ্রতির পাখা মেলত

সেই ফুলের সুরভিত রসেতে;

শুধু একটি গোলাপ  গোলাপ ফুলের গন্ধেতে ।

আমার বাগানের তাঁজা গোলাপটি

ঝরে পড়েনি মাটির ধূলিতে,

প্রেমের নজর পড়তে দেইনি সেটি

কারো মনের সুধা প্রীতিতে ।

আমার বাগানে ফুঁটেনি কোন ফুল

ফুঁটেছিল শুধু একটি গোলাপ ফুল,

যেটি আমি ভালবেসেছি

আমার সত্য মন দিয়ে ।



যখন ভাবনা আমার অদূর দূরে

পাখা মেলে চললো দূর আকাশে,

তখন সঙ্গী ছিল তোমার পরশ

ছিল তোমার বন্ধুত্ব ।

মেঘের পাড়ে গেলাম যখন

পেলাম তোমার ছায়া,

বৃষ্টি ভেঁজা আমার ভুবন

তোমার পাশে থাকা ।

নীল আকাশের অচীন দূরে

চলছি যখন ধ্রুব হয়ে,

দেখছি আমি অবাক হয়ে

বন্ধু হয়ে তাঁরার মাঝে

দেখছো আমায় চেয়ে ।


প্রেমের কবিতা
প্রেমের কবিতা 
" সম্পর্ক "

_____ সাইম আরাফাত প্রকৃতি

তুমি তো জানোই আমি সামাজিক ভাবে

কোনও দিন পুরোপুরি তোমার হব না।

আমিও তো জানি তুমি আমার একার জন্য নও।

তা হোক না। তা আমার বেশি।

আমি কী কী চাই?

সুর কানে প্রবেশ করবে।

হাত সে শান্ত হবে হাতে।

শরীর কখনও হবে, কখনও হবে না।

সামাজিক ভাবে, বলো,

কারো কিছু ক্ষতি আছে তাতে?

মনে মনে সঙ্গে থাকি।

যে-পথে কলেজ থেকে ফেরো

সে-রাস্তায় মনে মনে যাই

বাস্তবেও গেছি দু’একবার।

তোমার ছাত্রীকে তুমি বললে কি আমার কথা?

বলো তো কী পরিচয় দিয়েছ আমার?


 



জীবনও উল্লাসে আজি সখি তোমারই আশাতে বসিয়া আছি নিরবে । সুখ পরশ পাহিতে এই জীবন করিব বিলীন, সখি আসনা আজি এই নব প্রভাতে । আজি হিয়ার মাঝে ওই আকাশ পাতাল হইতে ঝরিয়েছে স্নান বর্ষারও জলবারি, তুমি আসিবে আসিবে আমারও হৃদি ভুবনে শত দ্বিধা সংশয় ত্যাগ করি । সখি হে তুমি আসিবে আসিবে তোমারও মাধুরী কণ্ঠে জড়ানো প্রাণের গান শুনাইতে । লাজও-ভয়-নিভিতে আস না সখি তোমার আপন বৃষ্টি বিলাসে ঝরনা নৃত্য তালে তালে । 

 



হৃদয়ে আজ ঝড় উঠেছে

বুকের পাঁজর চাপটে যেন ধরে

প্রিয়া তোমার কথা বারেবারে

আমার মনে পড়ে ।

সেদিনের সেই হঠাৎ দেখা

মনে আমার দিল ব্যাথা,

অঝোর ধারায় বইল ঝড়

আমার বুকের মধ্যে দিয়ে ।

তোমার সেই অপূর্ব মুখখানি

ভেঁসে উঠে চাঁদের আলোয়,

শ্যামল মায়ায় আঁচলখানি

উড়ে যায় দৌলা দিয়ে ।

প্রিয়া তোমার কথা ভেবে ভেবে

নিশি-দিন যায় ক্ষণেক্ষণে,

আসে না রাত্রিতে ঘুম

তোমায় কখন পাবো এই আশাতে ।

 



মন যে আজ মেখেছে

প্রেমেরই কাঁদা জলেতে,

আমায় করেছে পাগল অশান্ত দিগন্তে

প্রেমেরই জন্য ।

মাটি তার ধূলায় ধূলায়

সব মিশায়ে যায় গোলায় গোলায়,

পুষ্প সেই ধুলার মাঝে

ফুটে উঠে রঙ্গিন সাজে ;

ছড়ায় তার আনন্দের বাহার

প্রেমেরই উল্লাসে ।

আলো তার খেলায় খেলায়

সাজিয়ে দেয় সারাবেলায়,

সেই সাজেতে আকাশ পানে

সেজে উঠে রংধনু হয়ে ;

আপন মাঝে ছড়ায় সে যে

প্রেমেরই আমন্ত্রণে ।

নদীর জলে কূলে কূলে

হারায়ে যায় সকল বানে,

সেই বানেতে সব তরীতে

ভেসে উঠে শান্ত প্লাবনে

প্রেমেরই উচ্ছ্বাসে ।

আনন্দে আনন্দে পাড়ি হয়

সেই মধুময় ক্ষণটা,

গন্ধে গন্ধে প্লাবিত

সেই হৃদয় মনটা,

সারা মায়ার মাঝখানেতে আসে

এ যে প্রেমেরই জন্য ।

 


যে কথা হয়নি বলা আগে

by *অভিষেক ঘোষ*

থাক না বলায় থাক

যে কথা হয়নি বলা আগে

শুরুতেই যে কথা শেষ হয়ে গেছে

সে কথা তুলে আর কি হবে ?

আমিতো বেশ আছি ভালো

গুছিয়ে নিজেকে নিজেই

না বলে গিয়েছো চলে,নিয়েছি তো মেনে

পা ধরে sorry বলার অভ্যাস আমার নেই 

হয়তো কোনদিন স্মৃতির দুয়ার খুলে খুজবো তোমায়

অগভীর রাতে কিছু চিরচেনা স্বপ্নেরা হানা দিতে পারে

তবুও ভুল করে ডাকবোনা তোমায়

আমার দেওয়া পুরানো নামটি ধরে 

না রয় সব সম্পর্ক চিরজীবন

না হয় মানুষের সব চাওয়া পূরণ

এখনও সেই পুরানো জায়গায় রোজ বিকেলে বসি

সময় পেলে একদিন এসো

গল্প করা যাবে,বসে পাশাপাশি ৷

 


 

অতৃপ্ত ভালবাসা ৩


আমার সব ভালবাসা থমকে যায়
তোমাকে দেখলে।

যুগ যুগান্তের অন্তহীন ভালবাসা
নিঃশ্বেষ হয়ে যায়
তোমার শীতল স্পর্শে।

আজো বুঝিনি এ কেমন ভালবাসা
চিরদিন অপ্রকাশিতই রয়ে গেল।

এ কেমন প্রেম
আজীবন গুমড়ে গেল।

কখনো হয়নি বলা ভালবাসি
তবেত নিঃস্ব হয়ে যাব ।

ভালবাসার বহ্নিঃশিখা
বললেই যদি নিভে যায়।
এভাবেই থাক যেভাবে আছে
দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকুক
তবুও যদি শীতল হৃদয় একটু উঞ্চতা পায়।


 
শূন্যতায় অলিগলি
জীবনটাই এক মরুভূমি ।
অসম্ভতায় জীবন গতি
কাকে নিয়ে আজ ছুটি ?
অন্ধতায় নীরবতা
উদাস মেঘে তাই ব্যস্ততা,
নিমেষে পথহারা
কার জন্য এই পথ চলা ?
কণ্টকে ভরা তীব্রতা
ব্যার্থতায় তরুণতা,
শেষ করা যে হয় না তার
আবেগ-প্রহসনের হিংস্রতা ।
সুখও পরশে তির্রতা
অমায়সা উসালতা,
উচ্ছ্বলে মন হাহাকার
কষ্টের নাম – অতৃপ্ত ভালবাসা ।

 



Old school Easter eggs.