
স্মৃতির গহিনে
সাইম আরাফাত প্রকৃ্তি
জীবনের প্রতিটা ধাপে কার না কার ছোয়া থাকে
ঠিক তুমি ও এসে ছিলা কোন এক ফাকে
চাওয়ার আগেই দিয়েছ আমায় ছোট কালের প্রাপ্পতা
এই কিঞ্ছিত পরিমান হতে পারে তোমার, আমার আনুতপ্ততা
সব কিছু ছেরে আবার হাজির হতাম সেই সুবখনে
কখন আসবে সে দু-চক্র যান নিয়া এই অঙ্গনে
ইচ্ছাকে শিপির করে মনকে সাহস দিয়ে
আসেছিলাম তোমার কাসে আবদার নিয়ে
হাসি মুখে আমায় বরন করে প্রাপ্পতা দিলে আমায়
আতেই আমি ধন্য
ভুলতে পারবনা কখন তোমায়
যা আছে তার জন্য
এই লিখা টা আমার এক বড় আপু কে নিয়ে লিখা
অনাকাংঙ্খিত ভালবাসা
চরিত্রঃ অতৃপ্ত মেয়ে
আমিও না হয় আমার ভালবাসার মানুষটাকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বেচেঁ থাকার স্বপ্ন দেখে ছিলাম …।
স্বপ্ন দেখাটাই কি আমার পাপ ছিল !!!!!
আমার চাওয়ার না সর্তেও তুমি এসে ছিলা আমার মন এ
জানি তুমি ই ঠীক ছিলা আর আছোও কিন্তু আমিই বদলে গেছি…।
আর হ্যা , আমি ই নিজেকে বদলিয়েছি ।।
কেননা এটা ছাড়া আমার আর কোন উপাই ছিল না ।
আমি নিরুপাই ছিলাম।
আমার তুমি টা আজিবন আমার কাছে তুমিই থেকে যাবা
কিন্তু আমি তোমাকে বাহ্যিক কোন রুপ দিতে পারব না।
এটা আমার খমতার বাহিরে।
কিন্তু আমার তুমি টার যায়গায় কাউকে স্থান দিতে পারব না।
আর কখন দিব না
আমি ধরে নিয়েছি যে এটাই আমার নিয়তি।এটাই
ঘটার কথা ছিল। কপালের লিখন কে খন্ডবে বল।
এর স্বাদ্ধি কি আমার আছে।
আমাকে তুমি plz………. ভুল বুঝিও না ……
আমি তোমাকে ধোকা দেইনি
এটাই আমার নিয়তি……।
আমি চাইনা যে কেউ আমার জন্য কষ্টো পাক
না তুমি না আমার পরিবার।
তোমাকে আমার পরিবার কখন মেনে নিবে না।
আমিও আমার পরিবার কে ছেড়ে যেতে পারবনা
তাই আমাদের ভালবাসার শুরুতেই বিদাই জানালাম।
পারলে আমাই ক্ষমা করে দিও।
আমি আমার পরিবার কে অনেক অনেক বেশি ভালবাসি
হয়তোবা আমাএ জীবনে চেয় বেশি।
আর আমি চাইনা যে আমার জন্য আমার পরিবার অসম্মানিত হক।
কেননা আমি আমার মা-পাপাকে অনেক শ্রদ্ধা করি।
তাদের সাথে আমার পরিচয় জন্মান্ধের
আর এই বাধনকে আমি কখন ভাঙ্গতে পারবনা।
যতই আমার কষ্টো হক না কেন যদিও আমার মৃত্যুও হয়
এতে আমার কিছু যায় আসেনা।
আর হ্যা সুখে থেক ভাল থেক এটাই আমার কামনা………
লেখাঃ সাইম আরাফাত প্রকৃতি
"হুশিয়ার"
ওগো রুপশিনি,বিদিশিনি শোন একটা বার,
কেন মনের বিপরীতে যাচ্ছ বার বার।
মনকে বলো চায় কী,সে
তার প্রেম,যে তোমাকে ভালোবেসেছে।
না হয় একটু ত্যাগই করলা সুখের জন্য
বিনিময়ে তো বলতে পারবা আজ আমি ধন্য।
সুখের সন্ধানে তো সবাই মাতাল
কেন, তুমি জানোনা দেবদেবীর পুরী,ঐ পাতাল।
দ্বিধাকে দ্বন্দ করে সরিয়ে ফেলে দেখ এক বার
খুসির সাগরে হাবু-ডুবু খাবা বারং বার।
—
feeling BE CAREFULL with নাজমুন নাহার
জয় মা বেগুনী"
একদা এক তরুন বালক বলিলেন উচ্চস্বরে
আমি খাব,আমার চাই যতই হোক অনবরে।
শতবার বলিলাম গো তোরে আমি,
ধমে'র কথা শোন,
একটু না হয় উপাস রইলি
তাও দিসনে মানের বিষর্জন।
কী আছে,কিসের এত তৃষ্ণা,এই বেগুনীর
সবাইকে হেনো করে সেই তুই পরিচয় দিলি কলঙ্কীনির।
আমার বন্ধু শ্রী শ্রী জয় কুমার মজুমদার কে নিয়ে লেখা।
"সাগরের অকুল দড়িয়া"
কি দেখিয়া,কার শুনিয়া
ঝাপ দিলি তুই অকুল দড়িয়া,
এখনও সময় আছে বলছি তোকে
আয় ফিরিয়া ফিরিয়া।
চোখের দেখা দেখলে কি হায়
মনের দেখা হয়,
ভালোবাসা এটাইরে বোকা
ছবি নিয়েয় থাকতে হয়।
রাতে দিনে সারাখনে ব্যস্ত,নিয়ে
বাতা`বাহক,
ঠিকই দিবি ধরা তুই-
আদিম কালের ডাকবাহক।
নিশ্ব্য হয়ে আসবি যেদিন,
সকল আনন্দ তুচ্ছ করে
দেখবি সেদিন এই স্মৃতি গুলোই
থাকবা তোর ঐ বাহুডোরে।
আমার বন্ধু মাহমুদুন নূর সাগর কে নিয়ে লেখা।
"হঠাৎ স্মরণাপন্য"
হঠাৎ আমার একটা ফ্রেন্ড নাম মোঃগাজ্জালি রিয়াল আমাকে ডেকে বলল, "দেখ মামা আমরা সবাই দশ বছরের বন্ধু আর ইদানিং মনে হচ্ছে যে ওদের সাথে আমার মাত্র দশ মিনিটের বন্ধুত্ত্ব"।