অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার এই ব্লগ পেইজ এ লগ অন করার জন্য
আমি সাইম আরাফাত প্রকৃতি । আমি আপনাদের জন্য এই ব্লগ পেইজ এ রুচি সম্মত ও সত্য ঘটনা নিয়ে লেখি । হয়তোবা আমারই জীবনের একটা অংশ আপনাদের মাঝে তুলে ধরি.........।।
আপনাদের লেখা যদি পোস্ট করতে চান......তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করুন email এর মাধ্যমে...।
sapkhan00@gmail.com
অথবা ফেসবুকে text করুন
https://www.facebook.com/profile.php?id=100005183868987
এই id তে
বয়সের সাথে বয়সের মিল নয়
বন্ধুত্ব মানে-
মনের সাথে মনের, গোপনে হয়ে যাওয়া পরিচয়।
একাকীত্বের প্রতি অভিশাপ
বন্ধুত্ব মানে-
খুব প্রয়োজনে, খুঁজে পাওয়া ওই দুটি হাত।
কবিতা কিংবা গানে
শব্দে-বর্ণে ছন্দের মতো নয়
বন্ধুত্ব মানে-
ছবির মতো করে
চোখে চোখ রেখে কথোপকথন নয়।
মাটি আর আকাশে
সুদূরপ্রান্তে সংঘবদ্ধ দাবি
বন্ধুত্ব মানে-
সাগর-ঝর্ণা মাঝে
মিলনের তলে বয়ে চলা কোন নদী।
খুঁজে পেতে পারি হঠাৎ স্মরণে
বন্ধুত্বের ছলে, ছলে-বলে-কৌশলে
ধরা দিয়ো না মিছিমিছি ভালোবেসে;
বন্ধুত্ব মানে-
গোটা পৃথিবীটা তোমার
হতে পারে বন্ধুত্বের দাবিদার
বন্ধু আমার, বন্ধু তোমার,
বন্ধু তুমি হয়ে যেতে পারো সবার।
বয়সের সাথে বয়সের মিল নয়
বন্ধুত্ব মানে-
মনের সাথে মনের, গোপনে হয়ে যাওয়া পরিচয়
পতিতার কন্যা নাসিমা। তার প্রতি সমাজের অন্যরা যখন ঘৃণাভরে তাকায় তখন তার জন্য ভালবাসা uncomplete love
আজ কেন যেন ঘুম আসছে না । খুব অস্থির লাগছে। বারান্দায় গিয়ে বসলাম পেতে রাখা ইজি চেয়ারটায়। আকাশ দেখার ব্যর্থ চেষ্টা করলাম কিছুক্ষণ । এতো এতো উঁচু অট্টালিকার ফাঁকে আকাশের দেখা মেলে না, চাঁদ তারা সে তো আরও পরের ব্যাপার। মন যেন আরও অস্থির হয়ে উঠলো। মনে হচ্ছে আকাশ দেখতে না পেলে আজ ঘুম ই আসবে না। ব্যস্ত জীবনের সময় গুলো কখন যে কেটে যায়? টেরই পাইনি কতদিন যে আকাশ দেখা হয় না। মনে মনে ভাবলাম আজ দেখতেই হবে আকাশ। যেতেই হবে আজ ছাদে। কতো দিন যে ছাদে উঠা হয় না, কে জানে । এই বাসায় এসে উঠেছিলাম কি ? হুম মনে পড়ছে, একদিন পূর্ণ চাঁদের পূর্ণিমায় গোসল দিতে উঠেছিলাম । সেই সাথে ছবি ও তুলেছিলাম সেই চাঁদের, একটা আলোক বিন্দু আর কি । সে যাই হোক , আজ ছাদে যাওয়া ই লাগবে। তবে আট তলা ভবনের ছাদে তো দোতলা থেকে লিফট ছাড়া উঠা কষ্ট , এই মাঝ রাতে লিফটে উঠতেও তো ভয় হচ্ছে। না হেঁটেই যাই , গেলাম ছাদে। ছাদের চিলেকোঠায় থাকে এক ফ্যামিলি। এক মা তার মেয়েকে নিয়ে। মেয়েটা পরীক্ষার্থী , তাই তখনো সে পড়ছে। জানালা দিয়ে দেখতে পেলাম, ভয় পাবে ভেবে আমি বলে উঠলাম, কি পড়ছ ? আমি দোতলার আপু, একটু ছাদে এলাম, ঘুম আসছে না তো, সে একটা মুচকি হাসি দিলো। এরপর আমি চুপচাপ এসে পানির পাইপ লাইন গুলো গেঁথে রাখা সিমেন্টের উঁচু ধাপে বসলাম। এরপর আনমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে চাঁদ আর তারাদের দেখছি । অনেক তারার মাঝে কি যেন খুঁজছি । একটা বিশেষ কোন তারা , এমন কি আর এতো রাতে দেখা যাবে, সন্ধ্যা হলে না হয় দেখা যেতো ।
হঠাৎ মনে হল কেউ একজন যেন আমার পাশে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখছে । তার এসে
দাঁড়ানোর বাতাস টের পেলাম, পাশে ফিরে তাকাতে ইচ্ছে করছে না । মগ্ন হয়ে
আমি তাকিয়ে আছি আকাশের দিকেই । পাশ থেকে কেউ যেন বলে উঠলো ………………… আমি
তারার মালা পরিয়ে দেবো তোমায় , নীল জোছনার শাড়ি দেবো , একটা তারা তোমার
কপাল জুড়ে টিপ হয়ে জ্বলবে। চলো মেঘের দেশে হারিয়ে যাই……… একটা পুরুষ
কণ্ঠ। এতো ভীতু আমি, এতো রাতে এখানে পুরুষ কণ্ঠ এলো কোথা থেকে , চিলে
কোঠায় থাকে এক মা আর মেয়ে………… এই সব কিছু ই মাথায় এলো না। আমি উল্টো
বলছি মেঘের দেশে হারিয়ে যাই এই কথা বলে তো মেঘ ই এনে দিলে। এতো সুন্দর
আকাশটা নিমেষে কালো হয়ে গেলো । পুরুষ কণ্ঠ বলে উঠলো আমি তোমার জন্য মেঘের
পালকী নিয়ে এলাম যে, চলো একবার ঘুরে আসি। সে আমার পাশ ঘেঁষে বসে পড়লো ।
আমার হাতটা ধরল । আমি তার স্পর্শ টের পেলাম, কি শীতল! হাত সরিয়ে দিলাম,
বললাম না আমি আজ সারারাত আকাশ দেখবো , এখানে বসেই , তুমি চাইলে বসে দেখতে
পারো । সাথে সাথে সে অট্ট হাসি দিয়ে এক চোট হেসে নিলো । এরপর গুনগুন কর
গাইতে লাগলো ……… আকাশের ঐ মিটিমিটি তারার সাথে আমি কইবো কথা…………
গলাটা বেশ লাগলো। কেমন যেন চেনাচেনা কণ্ঠ, আর কষ্ট জড়ানো ।
এরপর খুব জোরে আমার দুই বাহুতে চেপে ধরে বলল, তুমি কি পাগল ? সারারাত একা একা ছাদে বসে থাকবে , তা ও আমার সাথে ? আমাকে দেখো ভালো করে, একটু ও ভয় পাচ্ছ না তুমি ? দেখো ভালো করে , এরপর চলে যাও এখান থেকে। তুমি এইভাবে কোন দিন ই একা থাকবে না কোথাও। তোমাকে একা দেখলেই আমি আসবো , আর সেটা তোমার জন্য ভালো হবে না ।
আমি ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম সেই চেহারার দিকে…………… এ কি! এ দেখি জয় ! জয় , সে তো কবেই মারা গেছে রোড এক্সিডেন্টে আমার চোখের সামনে। না মারা যায়নি , সে আত্মহত্যা করেছিল। চরম অভিমানে , ভালবাসাকে না পাওয়ার অভিমানে। আমাকে না পাওয়ার অভিমানে। আমি তো তখন ভালবাসা কি সেটাই বুঝতাম না। শুধু এই টুকু ই বোধ ছিল, এটা অন্যায়। এই সময় এমন করা ঠিক না। এই বয়সে বখে যাওয়া ছেলেরা এই সব করে। আর তাই তাকে প্রত্যাখ্যান করে চড় মেরে সবার সামনে অপমান করে সাজা দিলাম। সেই অপমান সইতে না পেরে আর ভালবাসাকে না পেয়ে সেদিন ই সে আমার চোখের সামনে, সবার সামনে ঝাপ দিলো চলন্ত ট্রাকের নীচে। সেই থেকে আমি মরছি মরমে। একটা অপরাধ বোধ তাড়া করে বেড়াচ্ছে। সব সময় মনে হতো ওকে কেন সেদিন ফিরিয়ে দিলাম ? একবার যদি আবার আসতো সামনে , ভুল শুধরে নিতাম আমার। হাজার রূপে সামনে আসছে জয় , অন্য কোন জয় হয়ে। সেই জয় তো আর আসবে না, অন্য কেউ এলেই বা কি? আমার প্রায়শ্চিত্ত তো হবে না। জয় আমাকে ভুলতেই দিচ্ছে না। আজ আবার এতো দিন পর , সে নিজের রূপেই সামনে হাজির। এটা কি করে হয়! জয় তো মারা গেছে।
কে তুমি ? আমি ভয়ে আর্তনাদের কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলাম। এতক্ষণ ভয় পাইনি , এইমাত্র জয়ের চেহারা দেখেই ভয়ে আমি কাঁপতে শুরু করলাম । সে আরও কাছে এসে বলল তোমার ঘৃণা, আর তুমি আমার অতৃপ্ত ভালবাসা। আমি বললাম এ হতে পারে না, যাও তুমি, আমাকে কেন ভয় দেখাচ্ছ ? ভালো ই যদি বাস, তবে এখন কেন ভয় দেখাচ্ছ ? জয় এসে আমার গলা টিপে ধরে বলল এখন ভালবেসে কি পাবো তোমায়? পেতে হলে তো আমার সাথেই নিয়ে যেতে হবে তোমাকে , যাবে চলো ? বলেই গলায় দুই হাতের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমি আরও জোরে চিৎকার শুরু করলাম । এতো জোরে তা ও কেউ শুনছে না যেন, একটু পর দেখি , চিলে ঘরের সেই মেয়েটি এসে আমার গায়ে হাত দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছে। আর বলছে, কি হল আপু একা একা কার সাথে কথা বলছ ? আমি তোমার গলা পেয়ে এলাম, দেখি তুমি একা একা কি যেন বিড়বিড় করে বলছ।
কি হল এতক্ষণ ওকে কিছু না বলে বললাম, কবিতা পড়ছিলাম মনে মনে। যাই, অনেক রাত হয়ে গেছে।
বিদায় নিয়ে ঘরে এসে এক লিটার পানি গড়গড় করে খেলাম। এরপর বিছানায় গিয়ে ভাবলাম , কি হল এইসব ? আবার জয় , তাও এখানে, কি করে ! না হতেই পারে না! এই সব ই আমার কল্পনা। হঠাৎ গলায় একটু জ্বালা অনুভব করলাম। উঠে আয়নার সামনে গিয়ে দেখি আঙ্গুলের ছাপ পড়ে আছে গলায়, আর একটা জায়গায় একটু কেটে গেছে।
জয় আমাকে এই জীবনে মুক্তি দেবে না, বুঝলাম। যতদিন বেঁচে থাকবো , সে আমার পিছু ধাওয়া করবে, অতৃপ্ত ভালবাসার জন্য ।
বাইরের
দিকে তাকিয়ে অনবরত পা নাচাচ্ছে মাইশা। তার পা নাচানোর কারণে টেবিলের উপর
রাখা গ্লাসের পানি কাঁপছে, আর তা দেখে অমিতের কলিজাটাও কাঁপছে। মাইশার
রিক্টারস্কেলে ১০ মাত্রার এমন কাঁপন দেখে তার ভাবি পায়ে চিমটি কাটে।
-আউচ! ভাবি লাগছে তো।
-পা নাচাচ্ছিস কেন? দেখ ছেলেটা কিভাবে তাকিয়ে আছে।
-এটা আমার অভ্যাস। জানো না মনে হয়! ছেলেকে বাইরে তাকাতে বল।
কথা
গুলো ফিশফিসিয়ে বললেও মাইশার ইচ্ছে করছে জোরে চেচিয়ে চেচিয়ে বলতে, যাতে
ছেলেটা ভেগে যায়। কিন্তু সে পারছে না। দাদি বলেছে বিয়ের কনেদের আসতে কথা
বলতে হয়, লাজুক ভাব নিতে হয়। কিন্তু লাজুক ভাবতো দুরের কথা মাইশা পুরো
রাগি ভাব নিয়ে বসে আছে। অমিতের দিকে এই প্রথম তাকাল মাইশা।
"সে কি!
ছেলেটা স্পাইক করে আসছে কেন! বাবাটা যে কি না! জানে আমি এমন গলা ছাঁটা মোরগ
মার্কা ছেলে একদম পছন্দ করিনা। তবুও কিভাবে পারলো? নামের সাথে চেহারার কোন
মিল নেই!" মনে মনে রাগে গরগর করতে থাকল মাইশা। মাইশা আর অমিতকে কথা বলতে
দিয়ে মাইশার ভাবি সরে পরে।
অনেকক্ষণ নিস্তব্ধতা! টেবিলে রাখা চিকেন
ফ্রাইটার দিকে একবার তাকাল মাইশা। তার খুব পছন্দের। কিন্তু আসার সময় দাদি
এও বলে দিয়েছে "বিয়ের কনেদের বরের সামনে খেতে নেই। তোকে সাধলেও খাবি না"
"উফ! দাদিটা যে কি! সব কিছুতেই তার পুরনো খেয়াল। এখন সামনে বসা মোরগটাকেই
সহ্য করতে হবে"
- কিছু বললেন?
চমকে উঠে মাইশা! "ছেলেটা কিছু শুনেনি তো!"
-নাহ বলিনি।
-তা আপনি কিসে পড়ছেন?
-বাইও ডাটা দেখেন নি?
-হ্যাঁ দেখেছি তো।
-তো জিজ্ঞেস করছেন যে?
-না আসলে কথা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আপনার কিছু জানার আছে?
-আছে?
-জি বলুন
-আপনার নামের সাথে আপনার চেহারার মিল নেই কেন?
-কি রকম?
-এই যেমন নামটা অমিত, আর চেহারা বলছে আমার নাম রকি!
-হাহাহাহা! তা অমিতদের চেহারা কেমন হতে হয়?
-অমিতদের চেহারা হঠাৎ বৃষ্টি ছবির ফেরদৌসের মত হয় কিংবা হুমায়ুন আহমেদের শুভ্রের মত হতে হয়।
-হাহাহা.......মজার তো!
-হুম আসলেই মজার
মাইশা
আবার অন্যমনস্ক হয়ে যায়। তার জীবনটাই কেন যেন মজার হয়ে গেছে। এই যেমন
তার বাবা-মা খুব মজা নিয়ে তাকে বিয়ে দিচ্ছে। নিজেকে টেবিলে রাখা চিকেন
ফ্রাইটার মত মনে হচ্ছে তার। সবাই মজা নিয়ে খাচ্ছে আর সে দেখছে।
আজ একটা
বিরক্তিকর দিন গেছে মাইশার। অমিতকে পছন্দ না হলেও বাবাকে বলেছে হয়েছে।
কেন বলেছে তাও জানে না। জানতে ইচ্ছেও করছে না তার, জানতে চাইলেই হয়তো
অমিতকে মেনে নেওয়া কষ্ট হবে। মাইশার একটু নাক উঁচু স্বভাব আছে, জগতের কোন
কিছুই যেন তার মত করে হয়না। এই যেমন তার দাম্ভিক প্রকৃতির মানুষ পছন্দ অথচ
তার আশেপাশের মানুষগুলো সব কেমন জানি "দিলে বড় জ্বালা" প্রকৃতির। সে
নিশ্চিত অমিত ছেলেটাও এমন হবে। ছেলেটার মধ্যে এখনো পিচ্চি পিচ্চি ভাব। সে
হয়তো কখনও বুঝবে না প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় আইসক্রিম খাওয়ার মজা, অমিত হয়তো
বুঝবে না তপ্ত গরমে রবীন্দ্র সঙ্গীত মুহূর্তেই সময়টাকে শীতল করে দিতে
পারে, হয়তো বুঝবে না বর্ষায় কোন একাকীত্ব নেই বরং হাজার হাজার বৃষ্টির
ফোঁটা বন্ধু হয়ে থাকে তোমার অজান্তে, হয়তো......... মাইশার এসব ভাল
লাগাকে সবাই উচ্চতর পর্যায়ের পাগলামি ভাবে। মাইশার খুব ইচ্ছে করে ছাদের
রেলিং-এ পা ঝুলিয়ে বসে থাকতে। কিন্তু একবার বসতে গিয়ে যা কেলেঙ্কারি হল।
তার দাদি ভেবে বসে সে আত্মহত্যা করতে চেয়েছে। সেই থেকে সে আর বসে না। তার
সব উদ্ভট ইচ্ছে গুলোর সাক্ষী হয়ে থাকে একটা ডায়েরী।
ডায়েরীটার দিকে
তাকিয়ে সে প্রায়ই ভাবে "এই ডায়েরী ছাড়া হয়তো আর কেউ জন্মায়নি যে
চোখের ইশারাতেই বুঝে নিবে সব কিছু। যাকে ভালবাসি বলে চাপিয়ে দেওয়া যাবে
নিজের পাগলামি গুলো। ইশ! উপন্যাস পরে আমার মাথা গেছে। সেই বিশেষ মানুষটা যে
উপন্যাসের নায়ক হতে হবে এমন তো কোথাও লিখা নেই" এসব ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে
সে।
মোবাইলে কলের শব্দে ঘোর কাটে মাইশার।
-হ্যালো!
-কেমন আছেন?
-কে বলছেন?
-আমি স্বপ্ন [হাসি]
-কিন্তু আমি তো জেগে আছি।
-আমি কি ঘুমের স্বপ্নের কথা বলেছি?
-ও আপনার নাম স্বপ্ন? তাহলে আমি দুঃখিত। এই নামে কাউকে আমি চিনি না। রাখছি..........
-হ্যালো হ্যালো রাখবেন না প্লিজ। আমি অমিত।
-আমি জানতাম।
-কিভাবে?
-ভাবি আপনার নাম্বারটা মোবাইলে সেইভ করে দিয়েছিল
-তার মানে আপনি নিতে চান নি?
-মানে! ["এই ছেলে কিভাবে জানে এটা!"]
-মানে হল আমাদের মোবাইলে অন্য কেউ তখনি নাম্বার সেইভ করে দেয় যখন আমরা নাম্বারটা নিতে চাই না, তাই না?
-আপনি তো বড়ই চালাক মানুষ।
-জি ["বোকা বউ পেলে সব পুরুষই চালাক হয়"]
-এক্সকিউজ মি! বিড়বিড় করে কি বললেন?
-না কিছু না। রাখছি ভাল থাকবেন। বিয়েতে দাওয়াত রইল।
মনের অজান্তে হেসে দেয় মাইশা। নিজেকে এমন রূপে দেখে একটু অবাকই হল মাইশা।
এরই
মধ্যে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে যায়। গায়ে হলুদের দিন। অমিত
তাকিয়ে আছে মাইশার দিকে। সাদা শাড়ি আর হলুদ পাড়ের একটা শাড়ি পরেছে।
হলুদের সাঁজে নাকি মেয়েদের অনেক সুন্দর লাগে। এতটা লাগবে অমিত জানতো না।
অমিতের খুব গান গাইতে ইচ্ছে করছে, এটা তো আর সিনেমা না যে নায়ক প্রেমে পরল
আর পরের দৃশ্যেই গান শুরু হয়ে যাবে। নাহ গানটা মাইশাকে একাই শুনাবে। যদিও
হলুদের অনুষ্ঠানে গাওয়া যেত, কিন্তু এটা একটু বিশেষ গান।
গানের আসরের আয়োজন চলছে। মাইশা এক পাশে অন্যমনস্ক হয়ে বসে আছে। হঠাৎ একটা মায়াবী ভরাট কণ্ঠের গান মাইশার কানে ধাক্কা খেল।
"আমার ভেতর ও বাহিরে
অন্তরে অন্তরে আছ তুমি হৃদয় জুড়ে"
গায়কের
দিকে তাকিয়ে মাইশা কি বলবে বুঝে উঠতে পারেনি। অমিত তারই দিকে তাকিয়ে
তাকিয়ে গান গাইছে। এই প্রথম মাইশা লজ্জা পেল। একদম আদর্শ নতুন বউয়ের
লজ্জা। তার স্বপ্নের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটাকে এই প্রথম ভাল লেগে
উঠল। হয়তো তার প্রিয় গান গাওয়াতে, কিংবা অন্যকিছু। আপাতত এই "অন্যকিছুর"
কোন নাম দেওয়া যায় না। বিয়েটা এত দ্রুত হয়ে গেল যে দুইজন দুইজনকে
জানার সময়টা পেল না। বিয়ের ঝামেলায় কেউ কাউকে খেয়ালি করতে পারেনি
এতদিন। বিয়ের দুইদিন পর। মাইশা, অমিত ও তার বোন গল্প করছে। কিছুক্ষন পর
অমিতের ছোট বোন চিৎকার দিয়ে উঠে,
-ভাইয়া ভুমিকম্প!
-কই না তো।
-হ্যাঁ! বিছানা কেঁপে উঠল।
ততক্ষণে মাইশা পা নাচানো বন্ধ করে দিল। অমিত মাইশার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হেসে বলছে, "হ্যাঁ রে। রিক্টারস্কেলে মে বি ১০ মাত্রা হবে"
মাইশা
আড় চোখে অমিতের দিকে তাকাল। তার খুব হাসি পাচ্ছে। কিন্তু দমে আছে।
কয়েকদিন যেতে না যেতেই মাইশা লক্ষ্য করল অমিত তার খুব কেয়ার নিচ্ছে। নতুন
পরিবেশে মাইশা যাতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে সেটা
নিজ দায়িত্বে খেয়াল রাখছে। মাইশাকে ভাবিয়ে তুলে, "এই ছেলেটা এমন কিভাবে
হতে পারে? আমি যেমন ভেবেছি তার বিপরীত।"
অনেকদিন পর ডায়েরীতে লিখতে বসে
মাইশা। অমিত আসার পর এই প্রথম লিখা। "ছেলেটাকে আজকাল বড্ড বেশি ভাললাগে।
একটু পিচ্চি তবুও। এই 'তবুও' র উপর নির্ভর করে কোথাও হারিয়ে যেতে পারলে
মন্দ হত কি? হ্যাঁ, ও হয়তো চোখের ইশারায় সব বুঝবে না। আমি না হয় বুঝিয়ে
দিব। চোখ দিয়ে যদি সব হত উপর আলা তো আর মুখ দিতেন না" লিখতে লিখতে সে
খেয়াল করল সব কিছুতেই তার এই পিচ্চি বরটা চলে আসছে। আর লিখার সাহস পাচ্ছে
না।
ছাদে একা দাঁড়িয়ে আছে মাইশা। পেছনে অমিত এসে দাঁড়ালো।
-কি আমার কথা ভাবছ? হিহি
-না তো। তুমি কি ভাবার বিষয়?
-আমি স্বপ্নের বিষয় না হলেও ভাবার বিষয়। হিহি
-হাসি ছাড়া তুমি কথা বলতে পার না?
-নাহ
একদম না। তুমি হাসো না বলে কি আমিও হাসব না? দুইজনই মুখ গোমরা করে রাখলে
তো ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তার উপর কোন অঘটন ঘটলে দেনমোহর তো আমাকেই দিতে হবে তাই
না? হিহি
মাইশাকে অমিত অবাক করেই চলেছে। হয়তো রুপকথার রাজপুত্রের মত নয়, ডায়েরির পাতায় লুকিয়ে থাকা সেই কেউ একজনের মত।
-মাইশা, তোমার নিশ্চয়ই এখন ছাদের রেলিং এ পা ঝুলিয়ে বসতে ইচ্ছে করছে?
এবার
মাইশা আকাশ থেকে মাটিতে না পরে, মাটি থেকে যেন আকাশে উঠে পরেছে। কারণ
মধ্যাকর্ষণ শক্তির বিপরীতে আকাশে উঠাটাই সব চেয়ে অবাক করার মত কিছু।
- তুমি কিভাবে জানো?
-ম্যাজিক বুঝলে ম্যাজিক!
-তুমি কিছু লুকাচ্ছ!
অমিত পেছনে লুকিয়ে রাখা একটা জিনিস বের করল।
-আমার ডায়েরী! এটা কোথায় পেলে? আমাকে দিয়ে দাও।
-নাহ দিব না। একটা কলম ৫ টাকা বুঝলে? কলম নষ্ট করে ডায়েরিতে না লিখে আমাকে বলা যায় না?
-অমিত! আমার ডায়েরী দাও।
অমিত
নিষ্পাপ চেহারায় ডায়েরী দিতে দিতে বলে, "আচ্ছা এই তবুওর উপর নির্ভর করে
কোথাও না হারাও কিন্তু কিছুক্ষণ পাশে বসে থাকা যায় কি?"
-আমার সব উদ্ভট বায়নার ধারক হবে তো?
মাথা চুলকাতে চুলকাতে অমিত বলল, " আর যাই কর, ছাদের রেলিং এ বসতে বল না প্লিজ। হিহি"
-পিচ্চি!
খোলা ছাদে বসে আছে দুই জন, মেঘলা আকাশ আর?
আর সেই বাকি থাকা গানটা-
"বধুয়া আমার চোখে জল এনেছে হায় বিনা কারণে
নীল আকাশ থেকে একি বাজ এনেছে হায় বিনা কারণে
দিনে দিনে মূল্য বিনে
সে যে আমায় নিলো কিনে ।
আজ
বৃষ্টি নেমেছে। কাজে যেতে ইচ্ছে করছে না স্বপ্নের। কিন্তু ওকে যেতেই হবে।
না গেলে যে মেঘকে দেখতে পারবে না। তখন সারাদিন ছটফট করে মরতে হবে। মেঘ ওদের
সাথে একি সেকশনে কাজ করে।মেয়েটাকে ও নিজের চেয়েও বেশী ভালোবাসে। কিন্তু
কোনোদিনও সে তাকে মুখ ফুটে বলতে পারেনি। অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু লাভ
হয়নি। এমনিতেই ওর সাথে কথা বলতে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তূ ওর ভালবাসার
কথা বলতে গেলেই কেমন জানি হয়ে যায় স্বপ্ন।
অনেক কষ্টে ঘুম থেকে উঠে চাকরিতে গেল স্বপ্ন। একটু পর পর মেঘের দিকে
তাকাচ্ছে। মেয়েটাও কেমন যেন বুঝেও না বুঝার ভান করে সব কিছু। ও বুঝতে
পারছে স্বপ্ন ওর দিকে তাকিয়ে আছে তারপর ও স্বপ্নের দিকে একটুও তাকিয়ে
দেখছে না। এমন সময় স্বপ্নের এক বন্ধু পিছন থেকে বলে উঠলো, "কিরে শুধু
দেখেই যাবি, কিছুই বলবিনা?" স্বপ্ন বললো, "সময় হলেই বলব। ভয় লাগে যদি
ফিরিয়ে দেয়।"
ওর বন্ধু বললো, "ভয় করিস না। বলে দে চোখ বুজে দেখবি হয়ে যাবে। চিন্তা করিস না।"
স্বপ্ন আর কিছু বলল না।
এভাবেই ২ মাস কেটে গেল। এর মাঝে স্বপ্ন নিজেকে ধীরে ধীরে নিজেকে মেঘের জন্য
তৈরী করে নিল। সে ঠিক করলো ২৪ তারিখ মেঘকে প্রপোজ করবে। এর মাঝে অনেকবার
দুজনের চোখাচোখি হয়েছে। স্বপ্ন অনেক ভাবেই মেঘকে বুঝাতে চেয়েছে, কিন্তু
মেঘ বুঝেনি বা বুঝতে চায়নি।
আজ ২৪ তারিখ। আজ যেভাবেই হোক মেঘকে নিজের ভালোবাসার কথা বলবে স্বপ্ন।
আজকে কয়েকবার চোখাচোখি হলো দুইজনের কিন্তু কেউ কাউকে কিছু বলল না।
গার্মেন্টস ছুটি হলে স্বপ্ন মেঘের পিছু পিছু হাঁটতে লাগলো। মেঘের বাসা কাছে
হওয়ায় সে হেঁটে হেঁটেই বাসায় যায়। কিছুদুর যাওয়ার পর মেঘ একা হলে
একটু জোরে হেঁটে মেঘের কাছে আসল স্বপ্ন। তারপর সে মেঘকে বলল, "তোমার সাথে
কিছু কথা ছিলো। আমাকে কি একটু সময় দিতে পারবে?"
মেঘ বলল, "কি বলেন?"
স্বপ্ন বলল, "আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তুমি কি আমাকে একটু জায়গা দিতে
পারবে তোমার মনের মাঝে যাতে আমি সারাটা জীবন তোমার পাশে থাকতে পারি।"
মেঘ কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থাকলো, "দেখ প্রেম বা ভালবাসার আমার কাছে
কোন মূল্য নেই। আসলে আমি আছেব নিয়ে কখনো চিন্তাও করিনি। আমার উপর আমার
পঙ্গু বাবা, আমার মা আর ২ বোন নির্ভর করে আসে। তাই এসব আমার কাছে বিলাসিতার
মত। আমি এসব নিয়ে ভাবতেও চাই না।"
স্বপ্ন বললো," আমি কখনো তোমার কোন কাজেই বাধা হব না। প্লিজ আমাকে একটা
সুযোগ দাও তোমার হাত দুটো ধরার। আমি শুধু তোমার চোখে চোখ রেখে সারাটা জীবন
কাটাতে চাই। তুমি যদি না চাও তবে আমি তোমার চলার পথের বাধা হব না।"
মেঘ বললো," ঠিক আছে। আমাকে ১ সপ্তাহ সময় দাও। আমি চিন্তা ভাবনা করে দেখি।
আমি তোমাকে সামনের বৃহস্পতিবার আমার সিদ্ধান্তের কথা তোমাকে জানাব।"
এরপর মেঘ হেটে চলে গেল। স্বপ্ন তার চলে যাওয়া পথের দিকে তাকিয়ে রইল অনেকক্ষণ।
মেঘ পথ শেষে মিলিয়ে যাওয়ার পর স্বপ্ন ধীরে ধীরে তার নিজের বাসায় ফিরে এলো।
হঠাৎ মনটা খারাপ হয়ে গেল স্বপ্নের। মেঘ তো তাকে আজকেই কোন সিদ্ধান্ত দিয়ে
দিতে পারতো। যদি মেঘ বৃহস্পতিবার বলে যে, মেঘ ওকে ভালোবাসে না তবে ও কি
করবে? ও তো মেঘ কে ছাড়া বাচতে পারবেনা। এই চিন্তায় চিন্তায় স্বপ্নের
রাতে ঘুম হয় না। কিভাবে ও এই সপ্তাহটা কাটাবে?
নির্ঘুম রাত কাটাতে কাটাতে মঙ্গলবার চলে আসে।
মঙ্গলবার:
আজ তাদের অফিস বিল্ডিংয়ে একটা ফাটল দেখা দিয়েছে। সে মেঘকে বললো,"কাল
চাকরিতে এসোনা। বলা যায়না কখন কি হয়ে যায়। বিল্ডিংয়ে ফাটল দেখা
দিয়েছে।"
মেঘ বললো,"কাল চাকরিতে না আসলে বেতন দিবেনা। আমার জন্য একদিনের বেতন ও অনেক
কিছু। আমার এই সামান্য বেতনের উপর ৫ জনের সংসার নির্ভর করছে। তাই আমি না
চাইলেও আমার আসতে হবে।"
স্বপ্ন আর কিছু বললো না।
বুধবার:
আজ চাকরিতে আসার কোনো ইচ্ছে ছিলোনা স্বপ্নের। কিন্তু সে এসেছে মেঘকে দেখতে।
অনেকক্ষণ সে মেঘের দিকে তাকিয়ে ছিলো। একসময় মেঘ বুঝতে পারলো যে স্বপ্ন
ওর দিক্তে দিকে আছে। মেঘ স্বপ্নের দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিল।
কিছুক্ষণ পর ফ্যাক্টরি থেকে বের হয়ে এলো চা খাওয়ার জন্য। সে বিল্ডিংয়ের
সামনের একটা চায়ের দোকানে চা খেতে বসলো।
চা খাচ্ছে এমনসময় চারিদিকে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হলো। চারিদিকে ধুলোবালি
উড়তে লাগল। কি হয়েছে দেখার জন্য ছুটে দোকানের বাইরে বেরিয়ে এলো স্বপ্ন।
বাইরে প্রচুর ধুলোবালি উড়ছে। এই ধুলোবালির উৎস ওদের গার্মেন্টস। কি হয়েছে
দেখার জন্য স্বপ্ন দৌড়ে সামনে এগিয়ে গেল। ওর মনে এক অজানা আশংকা নাড়া
দিয়ে উঠল। মেঘের কিছু হলো নাকি? সামনে যেয়ে সে দেখল তাতে স্বপ্ন স্তম্বিত
হয়ে গেল। ওদের অফিস বিল্ডিংটা ধসে পড়েছে। এ দৃশ্য দেখে পাগলের মতো হয়ে
গেল স্বপ্ন। দিকবিদিক্শূন্য হয়ে সে ছুটে গেল ধসে পড়া বিল্ডিংয়ের উপর।
পাগলের মত পাথর সরাতে লাগল আর দুচোখের কোল বেয়ে অশ্রু বেয়ে পড়ছে। ও শুধু
মেঘের নাম ধরে ডাকছে আর পাথর সরাচ্ছে। ওর এই পাগলামি দেখে স্থানীয় লোকেরা
ওকে নিয়ে দূরে একটা জায়গায় বসিয়ে দেয়। ও সেখানে বসে বসে কাঁদতে থাকে।
ততোক্ষনে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজ শুরু করে দিয়েছে। কিছুক্ষন পর ফায়ার
সার্ভিসের লোকেরা এসে ঊদ্ধার কাজ শুরু করল। আর স্বপ্ন? সে বসে আছে তার বুক
ভরা আশা নিয়ে, মেঘ আবারও ফিরে আসবে তার কাছে। কিন্তু কখন? আস্তে আস্তে
দুপুর গড়িয়ে গেল, বিকেল গড়িয়ে গেল। কিন্তু কৈ মেঘকে তো কেউ বের করল না।
তবে কি মেঘ? না তা হতে পারে না। তাকে জবাব না দিয়ে মেঘ কোথায় যাবে না।
আস্তে আস্তে রাত চলে এলো তারপরও মেঘের কোনো খবর নেই। এবার নিজেকে সামলে
স্বপ্ন নিজে উদ্ধার কাজে যোগ দিলো। অনেক ছোট ছোট ফাটল দিয়ে ঢুকে সে মেঘকে
অনেক খুঁজল। কিন্তু
পেল না। এর মাঝে সে অনেক লোক কে বাঁচিয়েছে। কিন্তু সে যাকে খুঁজছে তার কোন দেখা নেই।
সকাল ৯ টা:
একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বসেছে স্বপ্ন। এখনও সে মেঘকে খুঁজে পায়নি। অনেক
খুঁজেছে কিন্তু কোথায় যে ছিলো। ফ্লোর ভাঙতে ভাঙতে ওর হাত ব্যাথা হয়ে
গেছে। একটু বিশ্রাম নিয়ে উঠতে যাবে এমন সময় দেখল স্ট্রেচারে করে একটা
মেয়েকে নিয়ে আসা হচ্ছে দেখতে ঠিক মেঘেরই মত। হ্যাঁ। এই রংয়ের জামাটাই তো
পড়ে ছিলো মেঘ। ছুটে যায় স্বপ্ন। ছুটে গিয়ে স্বপ্ন মেঘের সামনে দাড়ায়।
মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়েছে মেঘ। তখনও তার প্রাণ ছিলো। স্বপ্নের দিকে এক
পলক তাকালো মেঘ। ছেলেটার চেহারার এই হাল কেন? এভাবে কাঁদছে কেন ছেলেটা? মেঘ
মুখ খুলল,"তোমার সাথে আর কথা বলা হবে না। তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম তোমায়
আমি কতটুকু ভালোবাসি। আর বলা হলনা। চেয়েছিলাম শুক্রবার দিনটা তোমার সাথে
কাটাব। তাও হলনা। ভুল বুঝো না আমায় আমি তোমারি ছিলাম।"
হো হো করে কেঁদে উঠে স্বপ্ন,"দেখ কিছু হবে না তোমার। আমি আছি না। দেখবে আবার ভাল হয়ে যাবে তুমি।"
তাড়াতাড়ি মেঘকে এম্বুলেন্সে তুলল স্বপ্ন। ছুটে চলল মেডিকেলের দিকে। তখনও
কেঁদে যাচ্ছে স্বপ্ন। আস্তে আস্তে জ্ঞান হারিয়ে ফেললো মেঘ। কোন নড়াচড়া
নেই মেঘের। স্বপ্ন মনে করলো মেঘ ঘুমিয়ে পড়েছে।
মেডিকেলে পৌছালো ওরা, মেডিকেলের স্টুডেন্টরা ছুটে এলো মেঘকে ভিতরে ঢুকানোর
জন্য। স্বপ্নও গেল ওদের পিছু পিছু। ডাক্তার মেঘকে পরীক্ষা করে বললো,"সে আর
বেচে নেই।"
স্বপ্ন কিছুই বলতে পারছিল না। তার চোখ দিয়ে জল পড়া বন্ধ হয়ে গেল। আস্তে
আস্তে সে পিছন দিকে হাঁটতে লাগলো। ধীরে ধীরে সে মেডিকেল থেকে বের হয়ে এলো।
আজও সাভারের রানা প্লাজার সামনে একটা ছেলেকে ঘুরতে দেখা যায়। সে সকাল থেকে
সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকে মেঘের আশায়। আকাশে মেঘ জমলে সে তাকিয়ে থাকে
অপলক দৃষ্টিতে। কখন তা বৃষ্টি হয়ে নেমে আসবে ধরায়। ছুঁয়ে দেবে তাকে। এই
অপেক্ষায়।
– সরিরেহানআমিপারছিনা
– বাটহোয়াইসামিয়া
– দেখআমারঅনেকড্রিমছিলবাট
ইয়ু
– কিআমিকি?
– বাটতোমারজন্যআমারসবড্রিম
ভেঙ্গেগেছে
– আমারকিদোষবলসামিয়া
– রেহানতুমিবুয়েটেচান্সপাওনি।আমারঅনেকড্রিমছিলবাবাকেবলবআমারবিএফবুয়েটেপড়েসামিয়ারকথা
শুনেরেহানমাথানিচুকরেদাঁড়িয়েরইল।
সামিয়াআক্ষেপেরস্বরেবলতেথাকল,
– রেহানএখনআমিআমারবাবাকেকিবলব?
টেলমিরেহান।
– বুয়েটকিসবকিছু?
– রেহানতুমিবুঝতেপারছনা।আমারবড়আপুরহাজব্যান্ডআমেরিকাথেকেপিএইচডিনিয়েএসেছে।
মেঝআপুরহাজব্যান্ডঢাকাইউনিভার্সিটিরটিচার।আরছোটআপুরবয়ফ্রেন্ডমেডিকেলফাইনালইয়ারেপড়ছে…
সামিয়ারকথাশুনেরেহানঠাণ্ডাগলায়বলল,
– তোআমাকেতুমিকিকরতেবল।যেহেতুআমিবুয়েটেচান্সপাই।নি।
তুমিকিচাচ্ছনারিলেশনটাকনটিনিউকরতে?
সামিয়াকান্নাজড়ানোগলায়বলল,
– রেহানতুমিআমাকেভুলবুঝনা।আমিআমারআব্বুকেকিবলব?
আমারআব্বুরমাথাখাটহয়েযাবে।আব্বুতোমাকেমেনেনেবেনা।
– আমিবুয়েটেচান্সপাইনিদেখেতোমারআব্বুআমাকেমেনেনেবেনা?
সামিয়ারেহানেরপ্রশ্নেরকোনউত্তরদিলনা।অন্যদিকেতাকিয়েরইল।সামিয়ারচোখজলেটলমলকরতেলাগল।
রেহানছোটএকটাদীর্ঘশ্বাসছেড়েবলল,
– থাকসামিয়া।আমাদেররিলেশানটাএখানেথেকেযাক।আমিযেহেতুবুয়েটেচান্সপাইনি।
সোআমিওচাইনাতোমারবাবাআমারজন্যছোটহোক।কারনতোমারবাবাতোআমারবাবারমতনই… ভালোথেকো।
রেহানমাথানিচুকরেহাঁটতেশুরুকরল।পেছনথেকেসামিয়াডেকেবলল,
– রেহানপ্লীজনিজেরখেয়ালরেখ।
রেহানসামিয়ারকথারকোনসাড়াদিলনা।হাটতেথাকল।সামিয়াজোরগলায়বলল,
– রেহানআমারচেয়েব্যাটারমেয়েতুমিতোমারলাইফেপাবা।ডোন্টগেটআপসেটরেহান।আইইউলপ্রেফরইয়ু…
রেহানকোনউত্তরদিলনা।একসময়রেহানদৃষ্টিসীমারবাইরেচলেগেল।
এবংতারএকটুপররেহানেরফোনআসলসামিয়ারফোনে,
– সরিসামিয়া
– সরিকেন?
– আমিতোমাকেমিথ্যাবলেছি
– মানে?
– আমিআসলেবুয়েটেচান্সপেয়েছি।টপটেনেরভেতরআমারপজিশনআসছে…
ছোটএইমিথ্যাটাবলারজন্যসরি।ভালোথেকো।আমারচেয়েব্যাটারছেলেইতুমিপাবা।আইইউলপ্রেফরইয়ু…
রেহানলাইনকেটেদিল।সামিয়াসাথেসাথেরেহানেরফোনেকলদিল।কিন্তুরেহানেরনাম্বারটাবন্ধপাওয়াগেল।
লেখকঃ সাইম আরাফাত প্রকৃতি
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ......
বাংলা ব্লগ এ লগ অন করার জন্য
ভালবাসার গল্প
রাস্তারএকপাশেদাঁড়িয়েআছেঅবন্তী।অন্যপাশেসেইছেলেটি।যারকথাঅবন্তীভেবেইযাচ্ছেঅনেকদিনধরে।
এইছেলেটিকেদেখারজন্যেসেরোজসকালেদাঁড়ায়রাস্তারপাশে।অবন্তীভাবেছেলেটাকেকিছুবলবে, কথাবলবেতারসাথেকিন্তুতারআরসুযোগহয়েউঠেনা।
প্রত্যেকদিনএকটিবাসএসেনিয়েযায়ছেলেটাকেযেনবাসটিক্ষুদার্তগাংচিলআরছেলেটিদীঘীরজলেপদ্মপাতারউপরভেসেউঠাছোটমাছ।
ডুবমেরেগিলেফেলেবাসটিতাকে।নিয়েযায়চোখেরআড়ালে।বাসনামকগাংচিলটিকেঅনেকদূরেদেখেইবুকধুকধুককরেকেঁপেউঠেঅবন্তীর।
এইবুঝিতারচোখেরপলকেমনেরভেতরথেকেনিয়েযাবেছেলেটিকে।অবন্তীরআজকান্নাআসছে।এতোদিনহলো, কয়েকটামাসওচলেগেল।শুধুরাস্তারওপারথেকেদাঁড়িয়েদেখেইযায়।আজওবলতেপারেনাছেলেটাকেকিছুনাবলাকথা।
হয়নিতারসাথেকোনপরিচয়।আজআবারগাংচিলটাএসেযাবে।স্বপ্নেরমতোনিয়েচলেযাবে।এরপূর্বেইকথাবলতেহবেছেলেটিরসাথে।
রাস্তারএপারথেকেওপারেআসলোঅবন্তী।ছেলেটাকেজিজ্ঞাসাকরলোভালোআছেকিনা?ছেলেটিকিছুবলেনাশুধুঅপলকদৃষ্টিতেতারমায়াবীচোখেচেয়েদেখছেঅবন্তীকে।
ব্যাগেরভেতরথেকেএকটাখাতাবেরকরেছেলেটিলিখল- ভালোআছি।আপনি? অবন্তীবুঝতেপারছেনাসেখাতায়লিখেবলছেকেন।নাকিমেয়েদেরসাথেকথাবলেনা।অবন্তীবলল- ভালোআছি, আমিকিআপনারনামটাজানতেপারি?ছেলেটিতারখাতায়লিখল – অনিকহাসান।অবন্তীনিজেরপরিচয়দিল- আমিঅবন্তী, বাড়িরাস্তারঐপাশেরদালানটা।হটাতকরেআসলোসেইক্ষুদার্তগাংচিল।ডুবকরেগিলেফেললঅনিককে।মুহুর্তেসবকিছুবিচিত্রমনেহলোঅবন্তীর।মনেহলোযেনস্বপ্ন।
অবন্তীরপাশেদাঁড়িয়েআছেএকটিছেলে,
অবন্তীচলেযাবেঠিকঐমুহুর্তেছেলেটিবলল-
-আপনিকিঅনিককেচেনেন?
জিজ্ঞাসাকরলামতারসাথেতোকেউকথাবলেনাতাই।অবন্তীখুলেবললসবকিছু।আরছেলেটিরকাছথেকেজানতেপারলঅনিকবোবা।কখনোকথাবলতেপারেনা।
কিছুনাবলেইকেঁদেকেঁদেবাড়িফিরলঅবন্তী।সেমানসিকভাবেভেঙ্গেপড়ল।তারবাবামাকিকখনোএমনবোবাছেলেমেনেনিবেন?পড়ালেখায়ওসেমনদিতেপারেনা।
সিলেটথেকেপাটিয়েদেয়াহলোমামারবাড়িহবিগঞ্জে।অবন্তীচলেগেলকিন্তুতারমনঅনিকেরকথাভাবতসারাক্ষণ।
তিনবছরপরঅবন্তীআসলোসিলেট।বাড়িতেবসেসময়কাটেনাঅবন্তীর।তারছোট্টবোনরিন্তীকিছুবইএনেদিয়েছেপড়ারজন্যে।বইপড়তেওভালোলাগছেনা।
তারপরওঅবন্তীএকটাবইহাতেনিল।লেখকেরনামটাওবেশপরিচিত।বইটিঅপলকদৃষ্টিতেসেপড়ছে।বইটিরনাম ”অবন্তী” লেখকযাকেউত্সর্গকরেছেতারনামওঅবন্তী।পুরোবইয়েরলেখামিলেযাচ্ছেপাঠকঅবন্তীরসাথে।অবন্তীররাস্তারপাশেদাঁড়ানোথেকেকলেজেযাওয়াইত্যাদি
।অবন্তীরভালোবাসারকথাওখুবলিখেছেলেখক।মানসিকভাবেভেঙেপরাআরমামারবাড়িতেপাটিয়েদেয়াসবকিছুরএকঅপূর্বমিল।অবন্তীকাঁদতেলাগলোখুব।
নিরিবিলিকেঁদেবালিশভেজায়।তিনবছরপূর্বেরসবকিছুআবারনতুনকরেজেগেউঠে।রিন্তীদেখেফেলেঅবন্তীরকান্না।
মায়েরকাছেবলে।অবন্তীরবিয়েঠিককরাহয়কোনএকবড়লেখকেরসাথে।মাবাবাবলেছে, অবন্তীযাচায়তাইহবে।অবন্তীবিয়েতেরাজিহয়।খুবধুমধামকরেবিয়েহয়অবন্তীরসাথেলেখকের।
বাসররাতেলেখকঅবন্তীকেতারনিজেরভাষায়বলে- তুমিকেনআমাকেবিয়েকরতেগেলেঅবন্তী ?অবন্তীতারমুখখুলেবলে- আমিবিয়েকরেছিসেইব্যক্তিকে, যেতিনবছরপূর্বেদাঁড়িয়েথাকতোবাসেরজন্যে।
আরআমিদূরথেকেঅপেক্ষায়থাকতামসেআসবেকবে
।আমিকোনলেখককেবিয়েকরিনি,যাকেচেয়েছিলাম, বিয়েকরেছিতাকে।
লেখকআবারতারভাষায়বলে- কেসে? নামকিতার?অবন্তীলজ্জাপায়, লেখকেরবুকেমাথাগুজেবলে- অনিকহাসান।
লেখকঃসাইম আরাফাত প্রকৃতি
মাহিনইউনিভার্সিটিতেপড়ছে।ইউনিভার্সিটিতেমাহিনএরদাপটআছে।মাহিনছাত্রভাল।
আরকারোকোনপ্রয়োজনহলেমাহিনএরকাছেআসে।একদিনমাহিনইউনিভার্সিটিক্যাম্পাসেবন্ধুদেরসাথেআড্ডাদিচ্ছিল।এমনসময়পিছনথেকেএকটামেয়েডাকদিল
-মাহিনভাইয়া।
-জিবলুন(মেয়েটিরদিলেতাকিয়ে)
-আমিনতুনভর্তিহয়েছি।আমিআমারএসাইনমেন্টনিয়েসমস্যায়পরেছি।
-ও।
-শুনেছিআপনিঅনেককেএসাইনমেন্টতৈরিকরতেসাহায্যকরেন।
আমিযেহেতুনতুনসেহেতুযদিআপনিআমাকেসাহায্যকরতেন।
-আচ্ছা।বেপারনাআমারসাথেকালকেযোগাযোগকরবেন।
-যদিআপনারমোবাইলনাম্বারটাদিতেন।
-ও।আচ্ছা০১৭২৩৬৮****
-আমিদরকারহলেযেকোনসময়ফোনকরবোকিন্তু।
-আচ্ছা।
.মাহিনরাতেকম্পিউটারএকিছুকাজকরছিল।এমনসময়েএকটাঅচেনানাম্বারথেকেফোনএল।মাহিনফোনধরেবলল
-হ্যালো।
-হ্যালোমাহিনভাইয়াবলছেন?
-হ্যা।আপনিকে?
-আমিরিয়া।
-কোনরিয়া?
-আজক্যাম্পাসথেকেনাম্বারনিলাম।
-ওআপনিসে।
-আপনিআমাকেআপনিবলছেনকেন?আমাকেতুমিকরেবলতেপারেন।
-ও।আপনিওতাহলেতুমিবলতেপারেন।
-আচ্ছাবলবো।কিকরছিলে?
-কিছুনা।কম্পিউটারএকাজকরছিলাম।তুমি?
-আমিউপন্যাসপড়ছিলাম।
-কারউপন্যাস?
-হুমায়নআহমেদএর।
-তুমিহুমায়নআহমেদএরভক্ত?
-হ্যা।কিছুটা।আমরাবন্ধুহতেপারি?
-মেয়েটিরচেহারাভাল।কথাওবলেভাল।এমনমেয়েবন্ধুত্তকরতেচাচ্ছে।তাহলেমিসকরাযাবেনা(মনেমনে)
-কিহল?
-হ্যাহতেপারি।
-বায়পরেকথাহবে।এভাবেইতাদেরবন্ধুত্তশুরু।তারপরেমাহিনরিয়াকেসবসময়সাহায্যকরে।
তারপরেবন্ধুত্তথেকেপ্রেম।তবেমাহিনতাকেজানাতেপারছিলনা।অবশেষেজানালরিয়াকে।রিয়াশুনেহাসলো।
তাহলেতোরাজি।তারপরেতাদেরপ্রেমচলতেথাকলো।একজনঅন্যজনেরসবখবররাখতো।
তারাতাদেরকথাএকেঅপরকেনাজানিয়েথাকতেইপারতোনা।একদিনমাহিনদেখলোরিয়ারসাথেএকটাছেলে।
রিয়ামাহিনকেপরিচয়করয়েদিল।হঠাতমাহিনরিয়ারমধ্যেপরিবর্তনলক্ষকরলো।
একদিনমাহিনরিয়াকেফোনকরলোকয়েকবার।কিন্তুফোনধরলোনা।হঠাতরাস্তাদিয়েহাটছিল।
এমনসময়েদেখলোরিয়ারবন্ধুরাতুলএরসাথেরিয়াঘুরছে।পরেরাতেফোনকরলোরিয়াকে।রিয়াফোনধরেবলল
-হ্যালো।
-তোমাকেদিনেকয়েকবারফোনকরেছিলাম।ফোনধরলেনাকেন?
-আসলেফোনটাসাইলেন্টছিল।আরতখনআমিইউনিভার্সিটিতেক্লাসকরছিলাম।
-সত্যিক্লাসকরছিলে?
-কেনআমারকথাবিশ্বাসহয়না?(রেগেগিয়ে)
-তুমিআজকেতোমারওইবন্ধুরসাথেঘুরছিলেকেন?
-আমিকারসাথেঘুরবোসেটাআমারপার্সোনালবেপার।
-তাইবলেআমারফোনধরবেনা?
-আমিতোবললামআমিক্লাসএছিলাম।
-তুমিক্লাসএছিলেনা।তুমিতখনওইছেলেটারসাথেঘুরছিলে।
-কেবলেছে?
-আমিদেখেছি।
-দেখেছতাহলেজিজ্ঞেসকরছোকেন?
-ছেলেটাকিশুধুইতোমারবন্ধু?
-কেনআমারবয়ফ্রেন্ডমনেহয়?
-যেদিনথেকেছেলেটিকেদেখেছি।তারপরথেকেইতোমারমধ্যেপরিবর্তনদেখতেপাচ্ছি।
সত্যিকরেবলতোছেলেটাতোমারবন্ধুনাকিবয়ফ্রেন্ড?
-হ্য।বয়ফ্রেন্ড।তুমিআরআমাকেফোনদিবেনা।রাগকরেকয়েকদিনমাহিনওরিয়ারসাথেকথাবলেনা।
কিন্তুরিয়ারসাথেকথানাবলেমাহিনথাকতেপারেনা।তাইমাহিননিজেথেকেইরিয়ারসাথেআবারকথাবলতেথাকে।
তারবন্ধুরবেপারটাওমাহিনকিছুবললনা।
.হঠাতবাড়িথেকেমাহিনএরবিয়েরকথাবলল।তাইমাহিনরিয়াকেবিয়েরজন্যবলল।
কিন্তুকিছুতেইরিয়াবিয়েতেরাজিহলোনা।কয়েকদিনভালইকাটছিলো।
একদিনমাহিনথেকেবাসায়ফেরারসময়েদেখলোরিয়ারাতুলএরসাথেপার্কেবসেআছে।
রাতুলরিয়ারকাধেরউপরেহাতদিয়েবসেআছে।মাহিনগাড়িথামিয়েকাছেগিয়েকথাবলতেইদুজনচমকেউঠলো।
মাহিনবলল
-এইকিতোমারবন্ধু?
-হ্যা।
-বন্ধুরসাথেকেউএভাবেবসেথাকে?
-থাকবোতাতেতোমারকি?
-আমারকিমানে?
সত্যিকরেবলোএটাতোমারবন্ধুনাকিপ্রেমিক?
-হ্যা।এটাআমারপ্রেমিক।আরআমিএকেইভালবাসি।
-তাহলেআমি?
-তুমিকি।তুমিনিজেথেকেইআমারপিছনেঘুরেছো।
-তাইআচ্ছাভালথেকো।বলেবাসায়চলেএল।বাসায়এসেদেখলোতারমাঅসুস্থ।
মাহিনপাগলেরমতহয়েগেল।মাহিনতারমাকেঅনেকভালবাসে।মাহিনডাক্তারকেফোনকরলো।
ডাক্তারএসেমাহিনেরমাকেদেখলো।দেখেমাহিনকেবলল
-দেখুনএইসময়েআপনারমায়েরযত্ননেয়াজরুরি।
-তাহলেকিকরতেহবে?
-সবসময়আপনারমায়েরকাছেএকজনকেথাকতেহবে।আরযত্ননিতেহবে।তাহলেআপনারমাভালহয়েযাবে।
-আচ্ছা।মাহিমভাবতেথাকলোকেমাকেদেখাশোনাকরবে?
মাহিনমায়েরকাছেবসেচিন্তাকরছিলমাহিনএরমাবলল
-কিহয়েছে?
কিচিন্তাকরছিস?
-ডাক্তারবললোতোমাকেযত্নকরারজন্যএকজনলোকদরকার।কিন্তুআমিসারাদিনঅফিসেথাকি।
তাহলেতোমারযত্নকরবেকে?
-একটাবিয়েকর।আমিভালহয়েযাবো।
.বিয়েতেমাহিনেররাজিহতেইহল।কারনবিয়ানাকরলেমাকেদেখারকেউনেই।
মায়েরকথামতবিয়েতেরাজিহল।মায়েরপছন্দকরামেয়ে।মেয়েটিরমিতা।মিতামেয়েটাঅনেকভাল।মায়েরযত্নকরে।বিয়েরপরেমাসুস্থহয়েগেল।মিতামায়েরঅনেকযত্নকরে।মাহিনএরওঅনেকখেয়ালরাখে।কিন্তুমাহিনএখনওমনথেকেরিয়াকেভুলতেপারেনি।একদিনমাহিনেররাতুলেরসাথেদেখাহল।মাহিনজিজ্ঞেসকরলো
-কিবেপার?
কেমনআছোরাতুল?
-ভালনা।
-কেন?
ভালইতোথাকারকথা।রিয়াকেপেয়েছ।
-আপনারমতআমাকেওরিয়াধোকাদিয়েছে।সেআমাকেভালবাসেনি।
-তাহলেকিআমাকেওসেভালবাসেনি?
-হ্যা।আপনাকেওভালবাসেনি।
-কিন্তুকেন?
-জানিনা।আচ্ছাআসি।মাহিনভাবলোএতদিনসেকারজন্যভেবেছে।কারজন্যকষ্টপেয়েছে?
যেমাহিনকেকোনদিনভালবাসেনি।রিয়ামাহিনেরভালবাসাবোঝারচেষ্টাকরেনি।
আরযেমেয়েটিমাহিনকেপাগলেরমতভালবাসে।তারভালবাসামাহিনবুঝলোনা?মাহিনএরবাড়িফিরতেঅনেকরাতহয়েগেল।বাড়িফিরেমাহিনদেখলোমিতাঘুমায়নি।মাহিনএরজন্যঅপেক্ষাকরছে।মাহিনবাড়িফিরেখেতেবসেবলল
-মাখেয়েছে?
-হ্যা।মাকেখাইয়েঘুমপারিয়েদিয়েছি।
-তুমিখেয়েছ?
-না।আপনিখেলেখাবো।
-আমারজন্যআপেক্ষাকরারকিআছে?
-আপনিনাখেলেকিআমিখাই?
-তুমিআমাকেআপনিবলোকেন?
আজথেকেতুমিবলবে।
-আচ্ছা।তুমিআমারসাথেইখেতেবসো।
-খাওয়াহয়েগেছে?
-খেতেইচ্ছেকরছেনা।
-কেন?
শরিরখারাপ?
কিহয়েছে?(গায়েহাতদিয়ে)
-অতঅস্থিরহচ্ছকেন?
আমিশুতেযাচ্ছি।তুমিখেয়েশুতেআসো।মাহিনখেয়েচলেগেল।সবকিছুআজকেমিতারকাছেকেমনযেনলাগছে।
মাহিনআজতারসাথেএতসুন্দরব্যাবহারকরছেকেন?মাহিনক্লান্তঅবস্থায়শুয়েপরলোবিছানায়।
একটুপরেমিতাএসেচাদরটেনেদিচ্ছিল।এমনসময়েমাহিনটেরপেল।উঠেবলল
-তুমিআমাকেঅনেকভালবাসো?
-হ্যা।অনেকভালবাসি।
-আমিতোমারসাথেঅনেকখারাপব্যাবহারকরেছি।আমাকেক্ষমাকরেদাও।
-তুমিআমারকাছেক্ষমাচাওয়ারকিআছে?
-তুমিআমাকেক্ষমাকরেছ?
-তুমিযতভুলকরোতবুওআমিকিছুমনেকরবোনা।
-আমিতোমারভালবাসাবুঝতেপারিনি।আজবুঝছিতুমিআমাকেকতভালবাসো।
-তুমিআমাকেভালনাবাসলেওতোমাকেভালবাসবো।
-আইলাভইউমিতা।আমাকেএকবারজড়িয়েধরবে?মিতারআজঅনেকভাললাগছে।
কারনমিতাএইদিনেরজন্যঅনেকঅপেক্ষাকরেছে।যেদিনমাহিনতাকেঅনেকভালবাসবে।
তাকেআপনকরেনিবে।মিতামাহিনকেজড়িয়েধরেকাদতেথাকলো।মাহিনবলল
-আরেকাদছোকেনপাগলি?
-সুখেকাদছি।আজপৃথিবিরকেউআমারচেয়েসুখিনা।
-সারাজিবনতোমাকেজড়িয়েথাকবো।কোথাওহারাতেদিবনা।
-আমিওতোমাকেহারাতেদিবনা।আইলাভইউস্বামি।
-লাভইউবউ।দুইজনদুইজনকেজড়িয়েকাদতেথাকলো।সুখেরকান্না।
আজমাহিনমিতারভালবাসাবুঝতেপেরেছে।মিতারভালবাসাছিলমাহিনএরকাছেঅবুঝভালবাসা।
লেখকঃ সাইম আরাফাত প্রকৃতি
অপরিচিতএকটানংথেকেফোনআসল,
রিসিভকরতেইএকটামেয়েদুলাভাইডাকল!!বিয়েনাকরেইশালিজুটেগেল!!
—জিশালিকা,
বলুন।কথাটাবলতেইবাবারফোনআসল।সরি,
রংনাম্বারবলেইফোনটাকেটেদিলাম।একসপ্তাহপর………
—হ্যালো?
—কেমনআছেন?
—জি,
ভাল।কেবলছেন?
—আপনারশালিকাহিহিহি
—আমিতোবিয়েকরিনি,কিভাবেআপনিআমারশালিকাহলেন!?
—বারে,
সেদিনআমিনাহয়মিসটেককরেছি।আপুরহবুবরকেফোনদিতেগিয়েইতোমিসটেকটাকরলাম।
কিন্তুআপনিতোআমাকেশালিকাডাকলেন।তাইভাবলামদুলাভাইয়েরএকটুখোঁজনিই!!আচ্ছাএবারবলুন,
আপনারনামকি?আপনিকিকরেন?
—আমিসোহান।পার্টটাইমজবকরি,পার্টটাইমপড়ালেখা, পার্টটাইমফেসবুকিং!
—বাহ!
সবকিছুপার্টটাইম।পার্টটাইমপড়ালেখাটাকেমন?
—ইভনিংএমবিএকরছি।
—পার্টটাইমপ্রেমটেমকরেননা!!
হিহি
—হাহা…না, এসবনিয়েভাবিনা।
—হুম,
ভাল।
—ভালকেন!!?
—নামানেপ্রেমকরাভালনাকরাওভাল।
—ও…..আচ্ছাআপনারনামকি?
কিকরেন?কিছুইতোবলেননি?
—আমিবিথি।ইন্টারমিডিয়েটপাশকরেছিএবার।
—আচ্ছাজানাশোনাতোহল,
এবারআমিরাখছি।
—কেন?
আপনিকিবিজি?
—বিজিনা।আরকিবলারআছে।আপনিভালকরেপড়াশুনাকরুন।ভার্সিটিতেচান্সপেতেহবেনা?
—আজবমানুষতোআপনি!!ফোনেরংনাম্বারেকতজনআমারসাথেকথাবলতেচায়।তাদেরতোঝাড়িরউপররাখি।
আরআপনিকিনাআমারমতএকটাসুন্দরীমেয়েরসাথেফ্রেন্ডশিপকরতেচাননা! অবশ্যআপনিআমাকেদেখেননি।তিথিআপুদেখতেঅনেকসুন্দরী।কিন্তুসবাইবলেআমিনাকিআপুরচেয়েওসুন্দরী।
ও,আপনাকেতোবলাইহয়নি।আমরাদু’বোন।তিথিএবংবিথি।বাবামিলিয়েনামরেখেছেন।
আপুনেইআরহাতেঅনেকসময়।তাইভাবছিআপনারসাথেফ্রেন্ডশিপকরব!!
আরশুনুন,
পড়ালেখাকরতেআমারএকদমভাললাগেনা!!তবেছাত্রীহিসেবেআমিখারাপনা।এপ্লাস,
বুঝছেন!!?
—তাহলেবিয়েকরেফেলুন।বড়বোনেরবিয়েতোহলই।পথপরিষ্কার!!
—হিহিহি…..আপুরবিয়েরপ্রথমথেকেইআমারমনেওবিয়েরভাবনাকাজকরছে।সেজে-গুজেবসেথাকব।বরএসেআমায়নিয়েযাবে।
একটাছেলেআরএকটামেয়ে।সুখিসংসার,
ব্যস!!
—এতদূর!!!
আমারমাথাঘুরতেছে।আমিএখনরাখছি।
কিপাগলএকটামেয়েরপাল্লায়পড়লামরেবাবা!! মনেহয়একটাঝড়বয়েগেল, ঝড়েরবেগেকথাবলে।চপলামেয়ে।একটুসহজ-সরলওমনেহয়।পরদিনথেকেবিথিপ্রতিদিনসকাল,বিকেলএবংরাতেফোনদেওয়াশুরুকরে।
আমিওওরফোনেরঅপেক্ষায়থাকি।ফোনআসতেদেরীহলেকেমনযেনঅস্থিরলাগে।একটামায়া,
মোহকাজকরছে।ওরচঞ্চলতাআমারবেশভালইলাগে।
—হ্যালো,
কেমনআছেন?
—এইতোভাল,
আপনিকেমন?
—শুনুন,
আপনিআমাকেতুমিকরেবলবেন,ঠিকআছে।
—হাহা…
বল,
ভালআছোতো?
—হুম,
ভাল।আপনারফেসবুকটাদিনতো।
—সোহানসালেমী,
ফেবুতেএইনামেআরকেউনেই।
বাংলায়লিখেসার্চদাও,পেয়েযাবে।
—ওকে,
রাতেকথাহবে।এখনরাখছি,
বাই।রাতেআমিইফোনকরলাম।
—কিকরছবিথি?
—কিছুনা।আপনাকেফ্রেন্ডরিকুদিয়েছি।আপনিতোবেশস্মার্ট।
আমিজানিসুন্দরীবিথি’রছবিদেখতেনাপেয়েআপনিবেশহতাশহয়েছেন!!
হিহিহি।টেনশননিবেননা।ইনবক্সেআপনাকেদেব।আপনারপ্রতিসেবিশ্বাসআছে।
—আরেনাহ।তুমিযেকিবল!!
মেয়েটাতোবেশচালাক! যদিওসত্যটালুকিয়েছি।ইনবক্সেওরছবিটারদিকেযেকতক্ষণতাকিয়েথেকেছি।বিথিসত্যিইঅনন্যসুন্দরী।
প্রায়তিনমাসহল।ফোনে, ফেসবুকেবিথি’রসাথেভালইসময়কাটছে।ওরসীমাহীনচঞ্চলতায়আমিমুগ্ধ।তবুওসদাসজাগথেকেছি।
প্রেমেপড়েগেলেউঠবকিকরে?
প্রেম-ভালবাসারপ্রতিআমারকোনবিশ্বাসনেই!শুধুশুধুকেনকষ্টপাওয়া।
—বিথি,
কেমনআছ?
গতকয়েকদিনকইছিলে?
—ভালআছি।আপনিভালতো?
—ভাল।তোমারকণ্ঠআজএমনশীতলকেন?কোনসমস্যা?
—আপনারসাথেকিছুকথাছিল।
—হুম,
কিকথাবল।
—আমারকিছুইভাললাগছেনা।আমিঠিকমতঘুমাতেপারছিনা, খেতেপারছিনা।আমারখুবঅস্থিরলাগছে।
(আমারবুঝতেবাকিরইলনা,
তবুও….)
—কেনহঠাৎএমনহল?
—আপনিবুঝতেপারছেননা?
আইএমইনলাভউইথইউ………..চুপকরেআছেনকেন?
—বিথি,
বড্ডদেরীহয়েগেছে।পরশুআমারএনগেজমেন্টহল।একসপ্তাহআগেবললেওআমিতোমাকেফেরাতামনা…….
বিথিডুকরেকাঁদতেলাগল।কিছুক্ষণপরফোনকেটেদিল।যেসদাচঞ্চল,হাসিখুশিথাকত; আজমুহূর্তেইসবউবেগেল।মনটাবিষাদেভরেগেল।কিছুটাসসময়ভাবলেশহীনভাবেকাটল।
একজনেরস্বপ্নভেঙেঅন্যজনেরস্বপ্নসারথীহওয়াকিসম্ভব!? বিথি,আমিতোচাইনিতোমায়কষ্টদিতে…….
লেখক – সাইম আরাফাত প্রকৃতি
মোবাইলেররিংটোনেইঘুমভাঙ্গলোআদিবার।
– হ্যালো..
– আদিবাআমিনিতা..
(কাঁপাকন্ঠে)
– তুইনিতা,
সেটাতোআমিজানি..
তোরকন্ঠএমনশুনাযাচ্ছেকেন?
কোনসমস্যা..?
– আদিবাআমিমনেহয়রাশেদকেদেখলাম..
– রা..
শে..দকেদেখলিমানে,
কোথায়দেখলি?
আরমনেহয়মানেটাকি?
তুইকিরাশেদকেচিনিশনা…
– নামানে,
রাশেদকেচিনারমতঅবস্থানাই..
মুখভর্তিদাড়ি,
এলোমেলোচুল..
ময়লাজামাকাপড়পড়া,
ছোটছোটছেলেরা,
ওকেপাগলপাগলবলে
#তাঁড়াকরছিল..
– তুইঠিকচিনেছিস..?
– না,
তবেফিফটিফিফটি…
তবেআমিওরসামনেযেয়েরাশেদবলেডাকলামওআমারদিকেতাকিয়েআবারহাটাশুরুকরলো…
আমিওরএকটাপিকতুলেছি,
তোকেআমিপিকটাসেন্ডকরছি,
দেখতো,
ওরাশেদকিনা..?
– দে..
– দিয়েদিয়েছিদেখ..
– পিকটারদিকেতাকিয়েআদিবাকাদঁতেলাগল..
– ওপাশথেকেআদিবারকান্নারশব্দশুনেইবুঝতেপারলো..
ওরঅনুমানফিফটিফিফটিনা,
ওটারাশেদইছিল…
– তুইকখনদেখেছিসরাশেদকে..
– দেখেইতোতোকেসাথেসাথেফোনদিলাম…
– তুইকোথায়আছিসএখন…
– ফার্মগেট, সেজানপয়েন্টেরসামনে..
– রা..শে..দকোথায়..?
– তোকেফোনদেওয়ারপরচোখেরআড়ালহয়েগেল..
– সীট..
– তবেসংসদভবনেরঐদিকগিয়েছে..
– তুইথাকআমিআসছি..
প্রায়৪টাবছরধরেরাশেদকেখুজছি।কোথায়ওপাইনি, কোথায়ওনা।কেউওরসন্ধানদিতেপারেনি।
এমনকোনযায়গানেইরাশেদকেখুজিনি।
আজোমনেপড়েসেইদিনটারকথা।রাশেদ, আমি, নিতাআমরাখুবভালোফ্রেন্ডছিলাম।ভার্সিটিলাইফেআমরাতিনজনছাড়াআমাদেরআরকোনফ্রেন্ডছিলনা।
ভার্সিটিলাইফেরএকদুমশেষেরদিকে।হঠাৎএকদিনরাশেদআমাকে propose করেবসে।সেইদিনআমিবাসাথেকেরাগকরেবেড়িয়েছিলাম।মনমানষিকতাওভালোছিলনা।তাইআমিও over reacts করে campus ভর্তিমানুষেরসামনেরাশেদকেথাপ্পরমেরে, আরোআজেবাজেকথাবলে, অপমানকরাশুরুকরলাম।মাথানিচুকরেরাশেদকথাগুলোশুনেচলেগিয়েছিল।
সেইচলেযাওয়াটাইছিলরাশেদেরশেষযাওয়াআরআমারসাথেওরাশেদেরশেষদেখা।
নিতাওসেদিনকেঁদেদিয়েছিল, বলেছিলএতটা reacts নাকরলেওপারতি।নিতাওঅভিমানকরেসেদিনচলেগিয়েছিল।নিতারঅভিমানভাঙ্গাতেপারলেওরাশেদকেআরখুজেপাইনি….।
তারকয়েকদিনপরইবুঝতেপারলামখুবভালবাসিআমিওকে।সারাদিন-রাতশুধুইভাবতামকিভাবেরাশেদেরকাছেক্ষমাচাইবো।
কিভাকেওকেবলবো, আমিওযেওকেঅনেকভালবাসি।প্রতিটাদিনওরঅপেক্ষায়থাকতামহয়তোআজইরাশেদআসবে।কিন্তুওআরআসেনি।
মনেমনেচিৎকারকরেকাঁদতাম, আরবলতামএকটাভুলেরএতবড়শাস্তিহতেপারেনা…. বিশ্বাসছিলরাশেদকেএকদিননাএকদিনখুজেপাব..।আমিআমারভুলস্বীকারকরেজানতেচাইবো, কেনআমাকেএতবড়শ্বাস্তিদেওয়াহল…?
– নিতাগাড়ীতেউঠ।
– নিতাগাড়ীতেউঠেবললসংসদভবনেরদিকেযা।হয়তোঐদিকটাতেইরাশেদকেপাব।
বেশিদুরহয়তোযেতেপারেনি।
– হ্যাঁচল…আদিবা,
নিতাসংসদভবনেরসামনেগাড়ীটাপার্ককরেনেমেপড়ল।পুরোটাযায়গাখুজেবেড়ালো।
সেইচেনামুখটাকে।কিন্তুকোথায়..? সেইমুখেরবিন্দুমাত্রঅস্তিত্বনেইএখানে..।
অনেকটাসময়খুজে,
নাপেয়েওদেরভিতরেএকটাজিনিসকাজকরতেলাগলো,
হয়তোরাশেদকেআরখুজেপাবেনা।
– আদিবাচলছবিটানিয়েপুলিশকেএকটাইনর্ফমকরি।
– পুলিশ,
পুলিশকিখুজেবেরকরতেপারবে..?
বলেইকাঁদতেলাগলো..
পেয়েওপেলামনারে..
– কাঁদছিসকেন,
তুইদেখিসরাশেদকেআমরাঠিকইখুজেপাব,
চলএকটাকাজকরিচন্দ্রিমাউদ্দ্যানেওএকটুখুজেদেখি..
– চল..
চন্দ্রিমাউদ্দ্যানেরভিতরেঢুকতেইএকটাগাছেরনিচেরাশেদকেশুয়েথাকাঅবস্থায়চোখেপড়লোওদের।
সেখানথেকেঅনেককষ্টেরাশেদতুলেআনলোওরা।
রাশেদশুধুআদিবারদিকেনির্বাকচোখেতাকিয়েছিল।আশেপাশেরমানুষগুলোওওদেরদিকেঅবাকহয়েতাকিয়েছিল।
অনেকদিনঅনাহারে, অনিদ্রায়এবংনিজেরজীবনেরপ্রতিমায়াহারিয়েরাশেদমানষিকভারসাম্যহারিয়েফেলেছে।
ডাক্তারবলেছেওকেএকটুসেবা, ভালবাসা, আদরদিয়েওরভিতরসুস্থহওয়ারমানষিকতাতৈরিকরতেহবে।হয়তোতাতেরাশেদআবারআস্তেআস্তেসুস্থহয়েউঠবে…।
তারপরথেকেইআদিবারাশেদকেসেবা, ভালবাসাদিয়েআস্তেআস্তেসুস্থকরেচলছে….
লেখকঃসাইম আরাফাত প্রকৃতি
শুভ্রকেলেখানীলিমারশেষচিরকুটখানাশুভ্রতারপকেটেনিয়েহাঁটছে।গন্তব্যসমুদ্রসৈকত।
অনেকআগেরইচ্ছেতার, পত্রখানাপরন্তবিকেলেসমদ্রেরপাড়েবসেপড়বে।আজসেইমাহেন্দ্রক্ষণ।সূর্যঅস্তযাচ্ছে।
অস্তাচলেরসূর্যদেখানীলিমারখুবপছন্দেরএকটিবিষয়ছিল।শুভ্রতারশার্টেরবুকপকেটথেকেচিরকুটটিবেরকরেচোখেরসামনেমেলেধরলো।সাদাকাগজেকালোকালিরলেখা।লেখাগুলোএকেবারেইজীবন্ত।একেবারেযেনোশুভ্ররদিকেবড়বড়চোখকরেচেয়েআছে।
.
.
“প্রিয়শুভ্র,আজতোমারজন্মদিন।জীবনেকিনেই?
আছেসুখ-দুঃখ, সমস্যা-সমাধান,
নাটকীয়তা- বৈচিত্র্যহীনসবঘটনাইত্যাদিইত্যাদি… সবকিছুমিলেহৃদয়একেবারেঠাঁসা
!
আজএতটাসময়পারকরেএসেমনেহচ্ছে, একেবারেবুকেরভেতরে-অন্তরেরঅন্তঃস্থলেএকটাবিশালশূন্যতাএখনওকিভাবেযেনরয়েগেছে।বুঝতেপারিনি।
এযেনএকফুটোহয়েযাওয়াপাত্র, হাজারবারপুরণকরেওঠিকশূন্যইথেকেযায় …শুভ্র! আজতোমারজন্মদিন…এদিনটিকেআমিখুবভুলেথাকারচেষ্টাকরি, জানো! কিন্তুক’দিনআগেথেকেইতোমাকেস্বপ্নেদেখতেশুরুকরি।ভিন্নভিন্নদৃশ্যপট-কিন্তুবারবারসেইএকইকথারপুনরাবৃত্তি।তুমিশুধুক্ষমাই-ইচেয়েযাও, আরআমিশুধুইমুখফিরিয়েরাখি!
আশ্চর্যনা, বলো? একইস্বপ্নমানুষকতবারদেখতেপারে?যা-ইহোক, শুভজন্মদিন।খুবইচ্ছেকরে, দূরথেকেদাঁড়িয়েএইএকটাদিনতোমাকেএকনজরদেখেআসতে।কিন্তুআমিতাকখনইকরবোনা।
তোমাকেক্ষমাকরারপ্রশ্নেআমারযেনিরবতা- এনিরবতাআমিকোনদিনভাঙতেপারবোনা।যদিএসেসামনেদাঁড়িয়েক্ষমাচাওকখনও-হয়তোবাবোকামেয়েআমি-তোমাকেস্বস্তিদিয়েওদিতেপারি।
তারপরতোতুমিভুলেযাবেআমাকে।সুখের’সাগরেভাসবেতোমারঘরণীআরফুটফুটেদুটোবাচ্চানিয়ে।
ভালইকেটেযাবেতোমারবাকীদিনগুলো।কিন্তুআমিনিরবথেকেঅন্তত, একবারেরজন্যেহলেওহঠাৎতোমারমনেপড়েযেতেচাই।
আমাকেভেবেতোমারমনেরকোণেযদিমেঘজমেক্ষণিকেরজন্যে, তোমারচোখেএকবিন্দুজলএসেজমাহয়েযদিআরগড়িয়েনাপড়ে-এইটুকুইআমারঅনেকবড়পাওয়া।আমাকেপাগলীভাববারপ্রয়োজননেই।
আমারমতনকরেআজীবনভালোবেসেজ্বলেপুড়েছাইনাহতেপারো, আমাকেমনেকরেতোমারবুকেযদিএকবারেরজন্যেকাঁপনতোলেএকমুহুর্তেরকোনঅনুভুতি; তাতেইআমারআনন্দশুভ্র!সারাজীবনআগলেরাখারযেপ্রতিশ্রুতিরস্বপ্নতুমিদেখিয়েছিলে-তারএককণাবাস্তবতাওতুমিআমাকেদাওনি।তারবিনিময়েযদিআমিএইএকবিন্দুআনন্দনিজেরমতকরেপেতেচাই-খুববেশিকিঅন্যায়হয়েযাবে, বলো?তুমিভালোথেকো।আমিযেভাবেইথাকি, যেখানেইথাকি-আমারকামনাতাই।
কারোকারোজীবনএকসাথেগাঁথাহয়েওকিভাবেযেনভাগহয়েযায়,আলাদাআলাদাদুটোগল্পে
।তোমারগল্পতোএগিয়েগেল, লোকমুখেঅনেকশুনি।
কিন্তুআমারগল্পেরপাঠকআজঅবধিপাইনিকাউকে।কেজানে,
কিছুগল্পহয়তোবাঅপঠিতথেকেযায়।কালেরগর্ভেধীরেধীরেবিলিনহয়েযায়নিরবে,
দৃষ্টিরঅন্তরালে।সেঅপেক্ষাইকরছি।শুভজন্মদিনশুভ্র।ভালোথেকো।নিজেরপ্রতিযত্ননিও।
.
.ইতি……
~~~ তোমারনীলিমা
~~~৩১.০১.২০১১ইং
.
.শুভ্ররচোখছলছলকরছে।এখনইগলগলকরেচোখেরপানিপড়াআরম্বকরবে।সমুদ্রেরনোনাজলআরোনোনাহবে…
লেখকঃ সাইম আরাফাত প্রকৃতি
সময়ঃ২০৪১সাল।ঘড়িতেসময়সকাল১১:৩০মিনিটেরএকটুবেশি।স্থানঃঢাকারকোনোএকঅভিজাতশপিংমল।
.
.
.শুভ্রসাহেবএকটিশাড়িকিনবেন।তারমেয়েরজন্য।জামদানিশাড়ী।
মেয়েরজন্মদিনেপাঠাবেন।অনেকক্ষণধরেএইদোকানসেইদোকানঘোরাঘুরিকরছেন।
কিন্তুপছন্দেরশাড়িটিএখনোকিনতেপারছেননা।আগেওঅনেকশাড়িকিনেছেন।বউএরজন্য,
মেয়েরজন্য।প্রেমিকারজন্য।এমনটাআগেহয়নি।
হয়তোবয়সবাড়ারসাথেসাথেমস্তিষ্কতারডিসিশননেবারক্ষমতাকেড়েনিচ্ছে।কেজানে..!!যাইহোক, অনেকঘোরাঘুরিকরেওযখনকিছুইকিনতেপারলেননা, তখনঠিককরলেনএককাপকফিখেলেহয়তোউপকারপাওয়াযেতেপারে।ফুডকর্নারগুলোতেযুবকযুবতীদেরপদচারণায়ভরপুর।তাদেরচোখেমুখেশুধুইআনন্দেরছাপ।একদিনআমিওতোএমনকতসময়কাটিয়েছিলাম।কতবন্ধুবান্ধবছিল।আজকেকোথায়! একটিদীর্ঘশ্বাসফেলেকফিরকাপেচুমুকদিলেন।দুপুরহয়েগেছে।
মোবাইলফোনেসময়দেখলেন।সময়১২:৫৫মিনিট।
আবারোসেইশাড়িরখোঁজেএইদোকানসেইদোকানঘোরাঘুরিশুরু।
একজনদোকানিশুভ্রসাহেবকেএকেরপরএকশাড়িদেখাচ্ছেন।নাহ!! এখনোমনমতশাড়িপেলেননা।পাশেরসিটেবসাএকমধ্যবয়সীনারীরকন্ঠতারমনযোগকেড়েনিলো।
কন্ঠটিচেনাচেনালাগছে।চোখফিরিয়েতাকিয়েদেখলেন।হুমচেনামানুষই।
.
.
.
— কেমনআছো?
— উমমম….
— নাচেনারইকথা।চুল,
গোঁফসাদাহয়েগেছেযে।বলেইশুভ্রসাহেবহুহুকরেহেসেউঠলেন।
— শুভ্র!!
OMG!
— হ্যাঁ।কিকরছোএখানে?
তোমারহাজব্যান্ডকেদেখছিনাযে?
— নিজেরজন্যশাড়িদেখছিলাম।কিন্তুপছন্দহচ্ছেনা।
শুভ্রঃআমিকিহেল্পকরতেপারি?বন্যাঃকিভাবে?শুভ্রঃআমিপছন্দকরেদেই?বন্যাঃদিতেপারো।
মুচকিহেসেবললো।শুভ্রঃতোমারহাজব্যান্ডকোথায়?দেখছিনাযে?বন্যাঃসেবিরাটব্যস্তমানুষ।
এইতোআছেতারব্যবসাবাণিজ্যনিয়ে।শুভ্রঃহুম….বন্যাঃকই!
শাড়িপছন্দকরেদিচ্ছনাযে?
(মুচকিহাসি)শুভ্রঃদুঃখিত।এইতোদেখছি।উমমমম..
ওইযেকালোশাড়িটাদেখিতো।দোকানিকেবললেন।হ্যাঁ,
এটাইতোমাকেপারফ্যাক্টমানাবে।এটানিতেপারো।
বন্যাঃসেইকালো!!হাঃহাঃহাঃতোমারমাথাথেকেএখনোকালোরংএরভূতনামলোনাবুঝি?
হাঃহাঃহাঃশুভ্রঃতুমিকিন্তুকপালেআজোকালোটিপপড়েছো।আচ্ছাওসববাদদাও।
.
.বন্যাঃকতদিনপরআমাদেরদেখা।কতদিনপরনয়।বহুবছর।শুভ্রঃহ্যাঁ,
মাঝখানে২৬বছরেরবিরতি।বন্যাঃ
OMG!! এখনকোথায়আছো?
তোমারকিখবরতাইবলো?শুভ্রঃএখানেদাড়িয়েদাড়িয়েবলবো?কোথাওবসেকথাবললেভালহতোনা?বন্যাঃকেনোনয়!!
চলো।কফিশপেযাই।অনেকদিনহলো২৭নম্বররোডেআড্ডাদেইনা।
শুভ্রঃবুড়োবুড়িরআড্ডা।খারাপহবেনা।চলোযাওয়াযাকতাহলে।হাঃহাঃহাঃবন্যাঃড্রাইভারকেগাড়িবেরকরতেবলবো?শুভ্রঃনা।আমারগাড়িতেগেলেকিপ্রবলেমহবে?বন্যাঃনাহ!!
চলোতাহলে।
.
.
.শুভ্রআরবন্যা।দুজনমুখোমুখিবসা।সামনেধোয়াওঠাকফিরকাপ।বন্যাঃবলোতোমারকিঅবস্থা?
কেমনআছো?
দিনকালকেমনযাচ্ছে?
তোমারবউকেমনআছে?
বাচ্চাকাচ্চারাকিকরছে?শুভ্রঃএতপ্রশ্নেরজবাবএকসাথেকিভাবেদেবো?!?!বন্যাঃবলো,
তোমারফ্যামিলিরকিঅবস্থা?
চশমারগ্লাসতোদেখিতোমারভুড়িরমতবেড়েইযাচ্ছে।
হিঃহিঃহিঃশুভ্রঃফ্যামিলিবলতেএকমাত্রমেয়টাইআছে।তবুওআমারকাছেনেই।কানাডাতেআছে।ওরস্বামী, ওআরওদেরএকটাফুটফুটেবাচ্চা।বয়স১বছরপেরুলো।বন্যাঃতোমারবউ?শুভ্রঃনেই।
ওএখননেই।বন্যাঃনেইমানেকি?!?শুভ্রঃ২০৩৩সালেরডিসেম্বরএর১৫তেমারাগেছে।বন্যাঃদুঃখিত।
আমিসত্যিইদুঃখিত।তোমারকষ্টবাড়িয়েদিলাম।শুভ্রঃনানা।যাহবারতাতোহবেই।
এটাইপ্রকৃতিরনিয়ম।বন্যাঃএখনআছোকোথায়?শুভ্রঃমিরপুরে।ওখানেছোটএকটিফ্লাটআছে।
সেখানেইআছি।বন্যাঃএকাইথাকো?শুভ্রঃহ্যাঁ।বন্যাঃতোমারমেয়েতোমাকেদেখতেআসেনা।শুভ্রঃহ্যাঁ।আসে।
প্রতিবছরএকবারকরেদেখেযায়।ব্যস্তথাকে।স্বামী,সংসার, বাবুটাকেনিয়ে।সময়পেলেইআমারকাছেছুটেআসে।
মেয়েটাবড্ডবাবাপাগলহয়েছে।বন্যাঃদেখতেকেমনহয়েছে? তোমারকাছেওরকোনোছবিআছেএইমুহূর্তে?শুভ্রঃআছে।দেখাচ্ছি।
মোবাইলফোনেমেয়েরজামাই,বাচ্চাটাআরআড়শিরছবিদেখাচ্ছে।বন্যাঃমেয়েতোদেখছিএকেবারেবাবারফটোকপি।
কত্তোকিউট।শুভ্রঃনা,
ওওরমারমতহয়েছে।যেমনলক্ষি,ঠিকতেমনইসুন্দরী।
আচ্ছাতোমারখবরকি?বন্যাঃআমারএকছেলেআরএকমেয়ে।সুখীপরিবার।
ছেলেবড়।মেয়েছোট।ছেলেটাবেসরকারিএকটাব্যাংকেজবকরছে।আরমেয়েটাএবারবিবিএফাইনালদেবে।
আরহাজব্যান্ডব্যবসানিয়েআছে।শুভ্রঃবাহ্।আসলেইসুখিপরিবার।দোয়াকরিআরোসুখিহও।বন্যাঃএই!! তুমিনাআগেআমাকেতুইকরেডাকতে!! এখনতুমিকরেবলছোকেনো?শুভ্রঃদুইবাচ্চারমাহয়েগেছো।ছেলেকেবিয়েদেয়ারসময়হয়েগিয়েছে।
বুড়িকেতুইডাকতেকেমনশোনায়! তাইডাকছিনা।যাইহোক, তুমিওকিন্তুআমাকেতুইবলেইডাকতে।ভুলেগেছোহয়তো।
বন্যাঃনাভুলিনি।সেদিনগুলোকিভোলারমত?শুভ্রঃহুমতাইতো।
তবুওতোমাঝখানেএতবছরপেরিয়েগেলো।কখনযেদিনগুলোকেটেগেলোবুঝতেইপারিনি।বন্যাঃহ্যাঁতাতো।
শুভ্রঃতোমারহাতেরআঙ্গুলগুলোএখনোসেইআগেরমতইদেখতে।
বন্যাঃহিঃহিঃহিঃবুড়োকালেআবারপ্রেমঝেঁকেবসেছেনাকিরে?শুভ্রঃআরেনা,
কিযেবলো।তবেতুইকরেবলাতেখুবভাললাগলো।
Thank u so much..বন্যাঃহয়েছে।আরথ্যাংকসদিতেহবেনা।যদিপারোআমাকেতুইকরেইবলো।তাতেইবেশিখুশিহবো।শুভ্রঃআরেধুর!
অভ্যাসনেই।আচ্ছাট্রাইকরবো।হাঃহাঃহাঃচলো,
এখানথেকেবেরহই।বাইরেকোথাওঘুরেআসি।বন্যাঃকোথায়যাবে?চলোপার্কেগিয়েবসি।রমনাপার্ক।
শুভ্রঃচলোওঠাযাকতাহলে।
.
.
.ওইবেঞ্চটাতেবসিচলো।শুভ্রঃহুম।বন্যাঃকতবছরপরএইখানে।খুবভাললাগছেরেশুভ্র।বলেইশুভ্ররহাতেহাতরাখলো।
পরক্ষণেইহাতসরিয়েনিলো।শুভ্রঃলজ্জাপেয়েছোবুঝি?হাঃহাঃহাঃবুড়োরহাতেহাতরাখতেলজ্জাপাবারইকথা।
বন্যাঃতোরবাঁদরামিটাইপেরকথাএখনোগেলোনাবুঝি… তুইপারিসও।শুভ্রঃসবকিছুইপারতেহয়।বন্যাঃআমারকাছেখুবঅবাকলেগেছিল।
তুইআমাকেএতবছরপরকিভাবেচিনলি??!!শুভ্রঃতুইহয়তোভুলেগেছিস।
তুমিযখনবলতেযদিআমিকখনোহারিয়েযাইআমাকেতুমিকিভাবেখুঁজেবেরকরবে? আরআমিবলতাম, হাজারমুখেরভিড়েওঠিকইআমিতোমাকেখুঁজেবেরকরবোই।হয়তোআজতেমনইঘটেছে।
শুভ্রচোখথেকেচশমানামিয়েচোখমুছলো।বন্যাএকপলকেতাকিয়েআছেশুভ্রদিকে।শুভ্রঃএকটাসিগারেটখাওয়াযাবে?
যদিওআমিসেদিনেরপরকোনোমেয়েমামুষেরসামনেসিগারেটখাইনি।যেদিনবলেছিলে, যেসবছেলেরামেয়েদেরসামনেসিগারেটখায়তারাব্যক্তিত্বহীন।বন্যাঃখাও।সমস্যানেই।সিগারেটআরছাড়তেপারলেনা।কিহয়নাখেলে?শুভ্রঃকিছুইনা।আবারঅনেককিছু।বন্যাঃআচ্ছা,
তুমিযেমেয়েরজন্যশাড়িকিনতেএলে,
কিন্তুকিনলেনাযে?শুভ্রঃকিনবো।বন্যাঃওহ…শুভ্রঃতোমারচুলেওতোদেখিপাকধরেছে।হাঃহাঃহাঃবন্যাঃতুমিবুড়োহয়েছআরআমিবুঝিহইনি?বোকাকোথাকার।হিঃহিঃহিঃ
.
.
.আকাশেমেঘঘনহয়েউঠছে।বৃষ্টিনামবে।বন্যাঃশুভ্র,
চলোআজবৃষ্টিতেভিজি..
এখনইবৃষ্টিনামবে।শুভ্রঃআরেনা!!
মানুষপাগলবলবে।আমাদেরকিসেইবয়সআছেনাকি!!বন্যাঃআমিকোনোকথাইশুনবোনা।গুরিগুরিবৃষ্টিহচ্ছে।শুভ্রআরবন্যাপাশাপাশিহাঁটছে।শুভ্রতারঅজান্তেইবন্যারহাতনিজেরহাতেরতালুতেবন্ধিকরলো।বন্যাশুধুএকবারশুভ্ররদিকেতাকালো।তারপরশুধুহাঁটাআরহাঁটা।বন্যাগুনগুনকরেগানগাইছে।
” যদিমনকাঁদেতুমিচলেএসো,
চলেএসোএকবরষায়।
”শুভ্রমুগ্ধহয়েগানশুনেযাচ্ছে।গানটাতারখুবপছন্দের।বন্যাতাজানে।তাইহয়তোগাইছে।শুভ্ররজন্য।হয়তো…
.
.
.বন্যাঃবিকেলসন্ধ্যেহয়েআসছে।আমাদেরযাওয়াউচিৎ।আমিড্রাইভারকেবলেদেইরমনাপার্কএরসামনেআসতে।এখানথেকেইচলেযাবো।শুভ্রঃহুম।আমিওচলেযাবো।তোমাকেঅনেকধন্যবাদ।আমাকেসময়দেবারজন্য।বন্যাঃধন্যবাদদিয়েছোটকরছো?শুভ্রঃএকদমনা।
.
.
.বন্যারগাড়িরড্রাইভারএসেগেছে।এবারযেতেহবে।বন্যাঃশুভ্র,
তাহলেআজযাই।আবারকবেদেখাহচ্ছেশুনি?শুভ্রঃকোনএকদিন।এমনএকটিদিনে।বন্যাঃতোমারফোননাম্বারটাদাও।শুভ্রঃনা।আমিচাইনাআমাদেরমধ্যেকোনোধরনেরযোগাযোগথাকুক।সেটাতোমারআমারদুজনেরজন্যইভালহবে।বন্যাঃতোমারযাখুশিতাইকরো।হেয়ালিআরকমাতেপারলেনা।শুভ্রঃযাও।ড্রাইভারচেয়েআছে।বন্যাঃহ্যাঁ,
যাচ্ছি।এইনাও।শুভ্রঃকিএটা।শাড়ি।কালোশাড়ি।এটাআমারপক্ষথেকেতোমারমেয়েরজন্য।যদিসাহসথাকেতাহলেতাকেবলবেযে,শাড়িটাতারমাদিয়েছে।শুভ্রঃঠিকআছেবলবো।সেতোমারকথাশুনেছে।আমারমেয়েটাতারহতেওপারতোমাকেখুবভালকরেইজানে।বন্যাঃতুমিওকেসববলেছো,
তাইনা?শুভ্রঃহুম।আমারবন্ধুবলতেওইএকজনইআছে।আমারমেয়েটা।সুখদুঃখসবতারসাথেইশেয়ারকরি।মামরামেয়েটারমুখেরদিকেতাকাতেকষ্টহয়।জানো,
রাইসাওতোমারকথাজানতো।কিন্তুসেকখনোএইনিয়েআমাকেকোনোধরনেরনেগেটিভপ্রশ্নকরেনি।ওভালকথা।রাইসাআমারস্ত্রীরনাম।কথাগুলোবলেশুভ্রতারচোখেরজলআড়ালকরতেপারলোনা।বন্যাদুহাতদিয়েশুভ্ররচোখথেকেচশমানামিয়েচোখমুছেদিলো।শাড়িরআঁচলদিয়েচশমাখানামুছেদিল।এবংচশমাটাআবারশুভ্ররদুইকানেরমাঝেমুড়েদিলো।বন্যাঃকেঁদোনাপ্লিজ।তুমিকাঁদলেকিন্তুএখনআমিওকেঁদেফেলবো।এইবলেইবন্যাফুঁপিয়েফুঁপিয়েকান্নাশুরুকরেদিলো।শুভ্রঃআরেবোকা,
আমিকাঁদছিকই!চোখেকিযেনএকটাগেলো।তাইপানিপড়ছিল।তুমিকাঁদছোকেনো!!এদিকেআসো।আমিমুছেদেই।শুভ্রতারদুহাতবন্যারদুগালেরউপররেখেদুইবৃদ্ধাঙ্গুলদিয়েবন্যারচোখেরপানিমুছেদিলো।বন্যাঃএই!মেয়েকেকিবলবামনেআছেতো!শুভ্রঃহুঁ।বলবো,
নেমা,
তোরসেইহতেওপারতোমাতোরজন্মদিনেরউপহারপাঠিয়েছে।বন্যাঃগুডবয়।হিঃহিঃহিঃবয়না।বুড়োহাঃহাঃহাঃশুভ্রমুচকিহেসেবললো,
তোমারযাবারসময়হয়েছে।ড্রাইভারবেচারাঅপেক্ষাকরছে।বন্যাঃহ্যাঁ।যাচ্ছি।আবারকবেদেখাহবেবললেনাতো!শুভ্রঃবললামইতো।কোনএকদিন।ইনশাআল্লাহ্।
.
.
.বন্যাঅনেকটামনখারাপেরমতমাথানিচুকরেহেঁটেচলেযাচ্ছে।শুভ্রতাকিয়েআছে।গাড়িতেউঠেবন্যাশুভ্রকেহাতনাড়িয়েবিদায়জানালো।গাড়িচলেযাচ্ছে।শুভ্রএকাফাঁকারাস্তায়দাড়িয়েসেইচলেযাওয়াআবারোদেখছে।সেই২৭বছরআগেরছবিগুলোচোখেরসামনেযেনোস্পষ্টহয়েউঠছে।সেদিনওতোঠিকএভাবেইচলেগিয়েছিল।আজকেরচলেযাওয়ায়কিআরকখনোফেরাহবে?হয়তোনা।হয়তোবাহ্যাঁ।এইহ্যাঁআরনাএরহিসেবনিকেশমেলাতেমেলাতেশুভ্ররচোখআবারোভিজেওঠে।কিন্তুচোখমোছারমতকেউএখনআরঅবশিষ্টনেই।ছিলনা।থাকবেওনা।শুধুমনেমনেবললোযেখানেইথাকোভালথেকো।
.
.
.রাত৮:১৫মিনিট।শুভ্ররুমেঢুকেইদেয়ালেঝোলানোরাইসারছবিটারদিকেএগিয়েগেলো।বললো,
ভালআছোতো?বাসারল্যান্ডফোনবাজছে।শুভ্ররিসিভকরলোনা।মোবাইলফোনবাজলো।সেটাওতুললোনা।আড়শিকেএকটাফোনদেয়াদরকার।নাথাক।এখনবলবোনা।যেদিনশাড়িটাওরহাতেদেবোসেদিনবলবো।রান্নাঘরেগিয়েএককাপচাবানিয়েপানকরলো।এখনএকটুভাললাগছে।অনেকদিনপরবৃষ্টিতেভেজাহয়েছে।তাইমাথাটাবেশধরেছিল।শুভ্রএখনগানশুনছে।মৃদুআওয়াজেগানশুনছে।
” যদিমনকাঁদেতুমিচলেএসো,
চলেএসোএকবরষায়।
”
লেখকঃ সাইম আরাফাত প্রকৃতি
কিছুদিনআগেরকথা।ফেসবুকেগিয়েফাইন্ডফ্রেন্ডেএকটুডুকলাম।কারনআমারএকাউন্টাছিলনতুন।
আমারপরিচিতঅনেকেইআমারসাথেএডছিলনা।ফাইন্ডফ্রেন্ডেগিয়েই “পরিপাগলী”নামটাদেখেচোখআটকেগেল।নামটাদেখেকেমনজানিহাসিপাচ্ছিল।
আইডিটারভিতরগিয়েচেককরেএকটারিকুয়েস্টদিলাম।
দুইদিনপারহয়েগেছেকিন্তুরিকুয়েস্টএক্সচেপ্টকরারকোননামনাই।তাইএকটামেসেজদিলাম
:
–আমাররিকুয়েস্টাকিএক্সচেপ্টকরাযায়না।
:ঠিকতার২৪মিনিটপররিপ্লেআসল।
:
–আসলেআমিঅপরিচিতকারোরিকুয়েস্টএক্সচেপ্টকরনা।
:
–আচ্ছাআমারএকটাকথাউত্তরদিবেন।
:
–কিকথা।
:
–আচ্ছাআপনিযখনজন্মগ্রহনকরেছেন।তখনকিসবাইকেচিনতেপেরেছেন।
তাদেরকেকিআস্তেআস্তেচিনতেপেরেছেননা।
:
–হুমকিন্তুআপনারকথাঠিকবুঝতেপারছিনা।যদিএকটুসরাসরিবলতেন।
:
–ঠিকতেমনিভাবেসবাইকেসাথেসাথেচিনবেননা।আস্তেআস্তেচিনতেপারবেন। :
:ঠিকতারবিশমিনিটপরকিযেনভেবেআমাররিকুয়েস্টাএক্সচেপ্টকরল।সেখানথেকেশুরু।
আস্তেআস্তেমেয়েটিরসাথেপরিচয়।মেয়েটিরনামছিলবন্যা।প্রতিদিনতারসাথেঅনেককথাহত।
অল্পকিছুদিনেরমধ্যেমেয়েটিরসাথেবন্ধুত্বেরএকটাসম্পর্কগড়েওঠে।মেয়েটিআমাদেরপাশেরজেলায়থাকত।
একসময়আমাদেরমাঝেফোননাম্বারআদানপ্রদানহয়।মাঝেমাঝেফোনেরকথাহত।প্রায়সময়ফেসবুকেকথাহত।
বন্যারসাথেকথাবলতেবলতেএকটাসময়অন্যরকমএকটাঅনুভূতিকাজকরে।কিন্তুএখনপর্যন্তকেউকাউকেদেখিনি।
আমাদেরমাঝেছবিআদানপ্রদানওহয়নি।
:
:
:তাইতারসাথেদেখাকরতেচাইলাম।কিন্তুসেসম্পূর্ননারাজ।
তারকারনহলতাকেদেখারপরনাকিআমিতারসাথেআরযোগাযোগকরবনা।
এইকথাশুনারপরআমারদেখাকরারইচ্ছাবহুগুণবেড়েগেল।তাকেঅনেককষ্টেরাজিকরাতেপারলাম।
:দিনটাছিলরবিবার।বিকেলতিনটা।পার্কেরএককোনেবসেআছি।
কিন্তুবন্যারআসারকোননামনেই।কিছুক্ষনপরপিছনথেকেএকটানারীকন্ঠকানেভেসেআসল:-
আপনিজোবায়ের।
.
.
.আমিপিছনেফিরেদেখিবন্যাআমারপিছনেদাড়িয়ে।কিন্তুতাকেপ্রথমেদেখেইহতবাকহয়েযাই।
কারনহলতারএকটাপাছিলনা।ভেবেছিলামতাকেপ্রথমদেখাতেইপ্রপোজকরাব।
কিন্তুআমারসামনেএকটাপ্রশ্নএসেদাড়াল।সেদিনতারসাথেকিছুসময়কাটানোরপর।
বাসায়এসেইফেসবুকেব্লকএবংফোননাম্বারটাচেঞ্জকরেযেনহাফছেড়েবাচি।
:
:
:এইকাজটাকরারপর।দুইদিনধরেআমারকেমনজানিএকটাঅসস্থিলাগছে।কিযেনহারাতেযাচ্ছি।
জীবনযেনআমারঅসম্পূর্ণহয়েযাচ্ছে।তাইআবারসিমটাচালুকরি।সাথেসাথেইএকটামেসেজআসে “দুরেইযেহেতুচলেযাবেতাহলেকাছেএসেআশাজাগিয়েছিলেকেন”।ফোনদেইবন্যাকে।
ওপাশথেকেকান্নাজড়িতকন্ঠেনানাপ্রাশ্ন। :
–বন্যাকালকেআমারসাথেআগেরজায়গায়একটুদেখাকরতেপারবা।
:
–ঠিকআছে।
:
:
:পরেরদিন।আমিআজএকটুদেরীকরেযাই।গিয়েদেখিবন্যাআমারজন্যবসেআছে।আমিগিয়েতারপাশেবসি।
:
–কিবেপারদেরীকরলেযেন।
:
–বন্যা
:
–কি
:
–তোমারহাতটাএকটুধরি।
:
–ধরেকিলাভসেটাতক্ষনিকেরজন্য।
:
–ক্ষনিকেরজন্যনা।এটাসারাজীবনেরজন্যযদিতুমিরাজিথাক।
:
–আমারতপাএকটা।আমাকেভালবাসলেসুখিহতেপারবানা।
:
–ভালবাসারমানুষকেকাছেপাওয়াটাইসবচেয়েবড়কথা।এরচেয়েবেশিসুখআমিচাইনা।
আমাদেরভালবাসারমাঝেএটাঅতিতুচ্ছবেপার।
:
:
:এইকথাশুনারপরবন্যাহুহুকরেকেদেদেয়।আমিতাকেকান্নাথামানোরচেষ্টাকরলামনা।
কারনএইকান্নারমাঝেজড়িয়েআছেসুখেরঠিকানা। :
:
:লেখক:
সাইম আরফাত প্রকৃতি
মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!
True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে
নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে
উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে
রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি
ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই!
দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি
পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে
পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ
করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার
সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান তথ্য ও
তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।
Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির
অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও
আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ।
গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।
আমি নিজে ট্রুকলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে
নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার।
ভালো থাকুন!